ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ উঠছে। ইতিমধ্যেই সেই অভিযোগে ২৯ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী সহ একটি বাংলাদেশি ট্রলার আটক করে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী। সোমবার দুপুরেই আটক বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের উপকূলরক্ষী বাহিনী ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
রবিবার ভোরে বঙ্গোপসাগরে টহল দিচ্ছিলেন ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। টহলরত অবস্থায় বাহিনীর জওয়ানদের নজরে আসে আন্তর্জাতিক জলসীমা অতিক্রম করে বাংলাদেশি একটি ট্রলার ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করছে। সেই মুহূর্তেই উপকূলরক্ষী বাহিনী ‘এফবি আমিনা গণি’ নামের ওই বাংলাদেশি ট্রলারটিকে আটক করে। ট্রলারে থাকা ২৯ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদেরই আটক করা হয়। এই আটক মৎস্যজীবীদের তুলে দেওয়া হয় ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশের হাতে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ধৃত মৎস্যজীবীদের সোমবারই কাকদ্বীপ এসিজেএম আদালতে তোলা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে বহুবার একই ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীকে। বেশিরভাগ সময়ই ট্রলার নিয়ে ভারতীয় জলসীমায় বেআইনিভাবে ঢুকে পড়া মৎস্যজীবীদের আটক করা হতো। গত ১৩ জুলাই ঠিক এরই বিপরীত ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ জলসীমা অতিক্রম করে মাছ ধরার অভিযোগে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাতে আটক হয় ‘এফবি মঙ্গলচণ্ডী-৩৮’ ও ‘এফবি ঝড়’ নামে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের দু’টি ট্রলার ও ৩৪ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী। ট্রলার দু’টি কাকদ্বীপ থেকেই গভীর সমুদ্রে ইলিশ ধরতে বেরিয়েছিল। আটক হওয়া মৎস্যজীবীদের বাংলাদেশ নৌবাহিনী মংলা পোর্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়।





