২০২৬ সালে অসমে বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগেই অসম মন্ত্রিভায় পাশ হয়ে গেল বহুবিবাহ প্রতিরোধ বিল। বহুবিবাহ করলে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে এই বিলে। এছাড়াও বহুবিবাহের ফলে যেসব মহিলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের জন্য তহবিল তৈরির প্রস্তাব রয়েছে।
গত মাসেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত জানিয়েছিলেন, লাভ জেহাদ, বহুগামিতা এবং বৈষ্ণব সত্রদের সুরক্ষা সম্পর্কিত তিনটি ঐতিহাসিক বিল আনা হবে বিধানসভায়। এই প্রস্তাবগুলি মন্ত্রীসভায় আলোচনা করা হবে। তাই প্রথমেই অসমের মন্ত্রীসভায় বহুগামিতা বিরোধী বিল পেশ করা হল। সোমবার সকালে তিনি জানান, বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করতে প্রস্তাবিত বিলে ক্যাবিনেট সম্মতি দিয়েছে। চলতি মাসের ২৫ তারিখ এই বিল পেশ হবে বিধানসভায়। একাধিক বিয়ে করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের জেল হতে পারে। বিবাহবিচ্ছেদ আইনিভাবে সম্পন্ন না হলে নতুন করে বিয়ে করা যাবে না। এমনকী, বহুবিবাহের কারণে বহু মহিলা অসুবিধার মধ্যে পড়েন। সেই মহিলাদের আর্থিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আলাদা করে তহবিল গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে নতুন এই বিলে।
বহুবিবাহে জড়িত থাকা আধিকারিক বা ধর্মগুরুদেরও কারাদণ্ডের প্রস্তাব রয়েছে এই বিলে। তবে নতুন এই বিল আইনে পরিণত হলেও বেশ কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকবে। বহুবিবাহের বিধিনিষেধের আওতায় পড়বে না তফসিলি জাতি, অসমের ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত এলাকা অর্থাৎ বড়োল্যান্ড, ডিমা হাসাও এবং কারবি আংলং। তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে ২০২৬ সালে ভোটের আগে এই বিল আইনে পরিণত হলে কিছুটা অ্যাডভান্টেজ বাড়বে শাসক দলের।





