তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সংবাদমাধ্যমে কুণালের মন্তব্যর প্রতিবাদে ওই মামলা করা হয়েছে ব্ল্বে খবর। তৃণমূল মুখপাত্রকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছিলেন মিঠুন। পালটা দিয়েছেন কুণালও। তিনি জবাব, “যে কথায় কথায় দলবদল করে, তার আবার মান কী!”
বৃহস্পতিবার জানা যায়, কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন মিঠুন । অভিনেতার অভিযোগ, তাঁর ছেলে ধর্ষণ মামলায় যুক্ত বলে প্রচার করেছেন কুণাল, যা সঠিক নয়। এমনকী, তাঁর স্ত্রীও আর্থিক লেনদেনে জড়িত বলে কুণাল যে মন্তব্য করেছেন, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পাশাপাশি মিঠুন চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে মন্তব্য করেন কুণাল। মিঠুন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শুধুমাত্র নিজেকে বাঁচানোর জন্য, এমন মন্তব্য করার অভিযোগও ওঠে। মিঠুনের বক্তব্য, কুণালের ওই সব মন্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যমূলক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে কুণাল উদ্দেশ্যমূলক ভাবে তাঁর পাশাপাশি তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অসত্য ও কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন।এর ফলে তাঁর সম্মান এবং সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। হাই কোর্টে মিঠুনের আবেদন, ক্ষতিপূরণ হিসাবে তাঁকে ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হোক। সেই সঙ্গে ওই ধরনের মন্তব্য থেকে কুণালকে বিরত থাকার নির্দেশ দিক আদালত।
হাই কোর্টে মামলা দায়ের করতে গেলে ‘কোর্ট ফি’ দিতে হয়। আদালত সূত্রে খবর, মিঠুন এই মামলায় ৫০ হাজার টাকা ‘কোর্ট ফি’ দিয়েছেন। সাধারণত যা সর্বোচ্চ ‘কোর্ট ফি’ হিসাবে ধরা হয়। মিঠুনের এই মামলার শুনানির তারিখ এখনও পর্যন্ত জানায়নি আদালত। তবে আইনজীবীদের সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে মামলাটি আদালতে উঠতে পারে।
এই প্রসঙ্গে কুণালের সাফ প্রতিক্রিয়া “কোর্টে দেখা হবে। আমিও ওঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছি। চার-পাঁচটি চিটফান্ডের সঙ্গে ওঁর কী সংযোগ ছিল, সেটা আমি কোর্টে বলব। বলব, পুরোটা সিবিআই তদন্ত করুক।”





