রাতে শহরে মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টি। টানা ৫ ঘন্টার বৃষ্টিতে ডুবেছে শহর। এমন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ ও জলযন্ত্রণার ছবি বহু দিন দেখেনি শহর কলকাতা। পুজোর আগে কার্যত লন্ডভন্ড অবস্থা শহরের। গলি থেকে রাজপথ সর্বত্র বইছে জলস্রোত। কোথায় কোমর-জল , কোথাও বুক সমান-জল। দিকে দিকে আটকে পড়েছে বাস, গাড়ি সহ একাধিক যানবাহন। হাওড়া ও শিয়ালদায় ব্যাহত ট্রেন পরিষেবা। বিপর্যস্ত মেট্রো পরিষেবাও। জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইতিমধ্যেই ৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সবথেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার কামডহরিতে।
কলকাতা পুরসভার তথ্য অনুযায়ী ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে কখনও এত পরিমাণ বৃষ্টি নথিবদ্ধ হয়নি। কলকাতার প্রায় সর্বত্র এখনও বৃষ্টি চলছে। তার জেরে অধিকাংশ এলাকায় জল জমে রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে গড়িয়ার কামডহরিতে, ৩৩২ মিলিমিটার। ভোর চারটে থেকে গঙ্গার সব লকগেট খোলা হয়েছে। কিন্তু দুপুর ১২টায় আবার লকগেট বন্ধ করা হবে। ফলে ওই সময় ফের ভারী বৃষ্টি হলে জলযন্ত্রণা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
শহরে কোথায় কত বৃষ্টি
কামডহরি (গড়িয়া): ৩৩২ মিলিমিটার
যোধপুর পার্ক: ২৮৫ মিলিমিটার
কালীঘাট: ২৮০.২ মিলিমিটার
তপসিয়া: ২৭৫ লিমিমিটার
বালিগঞ্জ: ২৬৪ মিলিমিটার
চেতলা: ২৬২ মিলিমিটার
মোমিনপুর: ২৩৪ মিলিমিটার
চিংড়িঘাটা: ২৩৭ মিলিমিটার
পামার বাজার: ২১৭ মিলিমিটার
ধাপা: ২১২ মিলিমিটার
সিপিটি ক্যানাল: ২০৯.৪ মিলিমিটার
উল্টোডাঙ্গা: ২০৭ মিলিমিটার
কুঁদঘাট: ২০৩.৪ মিলিমিটার
পাগলাডাঙা: (ট্যাংরা)২০১ মিলিমিটার
কুলিয়া (ট্যাংরা): ১৯৬ মিলিমিটার
ঠনঠনিয়া: ১৯৫ মিলিমিটার





