সোমবার রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি। আর মঙ্গলবার ভোরে ঘুম থেকে উঠেই চমকে গেল শহরবাসী। জলমগ্ন গোটা শহর। গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে পুজোর মরশুমে অস্থায়ী বিদ্যুতের সংযোগের লাইন। সকাল থেকেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতে থাকে। মঙ্গলবার দুপুরে এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। শহরের মানুষের এই দুর্ভাগ্যজনক পরিণতির জন্য সরাসরি সিইএসসি-র দিকে আঙ্গুল তোলেন তিনি।
এদিন দুপুরে এক বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এর দায় সিইএসসি-কে নিতে হবে। এখনই তারা জরুরি ভিত্তিতে কর্মীদের নামাক।” এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। বেসরকারি ওই বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে তোপ দেগে এরপর মমতা বলেন, “এখানে ব্যবসা করছে। আর পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের (মর্ডানাইজেশন) কাজ করছে রাজস্থানে। এখানে আধুনিকীকরণের কাজ করছে না। বলতে বলতে আমার মুখ ব্যথা হয়ে গিয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি জানান, সরকার মৃতদের পরিবারের পাশে আছে। সিইএসসি-র কাছে মৃতদের পরিবারের এক জনকে চাকরি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্যদিকে মেয়র ফিরহাদ হাকিম সকালেই শহরবাসীকে আজকের দিনটা নিতান্ত প্রয়োজন না হলে বাড়ি থেকে না বেরতে অনুরোধ করেন। লকগেট খুলে দিলেও জল আবার ফেরত চলে আসছে বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এই আশঙ্কায় কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল ও বাইলেনে যান চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখে ট্রাফিক পুলিশ।





