Header AD

ব্যালন ডি’ওর জিতলেন দেম্বেলে, মেয়েদের খেতাব জয়ে হ্যাটট্রিক বোনমাটির


কণিষ্ঠতম ফুটবলার হিসাবে ব্যালন ডি’ওর জয়ের হাতছানি ছিল লামিনে ইয়ামালের (Lamine Yamal) সামনে। কিন্তু সেটা হল না। যোগ্যতম হিসেবেই স্পেনের তরুণ তুর্কি ইয়ামাল ও ক্লাব সতীর্থ পর্তুগিজ তারকা ভিতিনহাকে (Vitinha) পিছনে ফেলে বর্ষসেরা ফুটবলারের শিরোপা পেলেন প্যারিস সেন্ট জার্মান (PSG) তারকা উসমান দেম্বেলে (Usman Dembele)। গত মরশুমে অনবদ্য পারফর্ম করেছেন ফরাসি তারকা। পিএসজির চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের অন্যতম কারিগর তিনি। গোল, অ্যাসিস্ট, ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া-সমস্ত ভূমিকাতেই সফল হয়েছেন দেম্বেলে। সোমবার খেতাব জয়ের পর নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি ফরাসি তারকা। প্রথমেই নিজের পরিবারকে ধন্যবাদ জানান। তারপরই পূর্বসুরি করিম বেঞ্জেমার স্মৃতি উসকে দিয়ে বলেন, এটা আসলে মানুষের ব্যালন ডি’ওর।
২০২২ সালের পর দ্বিতীয় ফরাসি হিসাবে ব্যালন ডি’ওর জিতলেন ২৮ বছর বয়সি দেম্বেলে। পুরস্কার পেয়ে তাঁর চোখে জল। সামলে নিয়ে বলেন, “আমি কাঁদতে চাইনি। কিন্তু যখনই পরিবারের কথা বলতে গিয়েছি, যারা আমার পাশে থেকেছে তাদের কথা ভেবেছি, তখন আর চোখের জল আটকাতে পারিনি। আমি কোনওদিন এই ট্রফি জেতার জন্য আলাদা করে চেষ্টা করিনি। তবে এতা পেয়ে খুবই খুশি।” ২০২২ সালে ব্যালন ডি’ওর জেতার পর বেঞ্জেমা বলেছিলেন, এই ব্যালন ডি’ওর মানুষের। সোমবার সেই কথা স্মরণ করে পিএসজি তারকা বলেন, “বেঞ্জেমা প্রথমবার মানুষের ব্যালন ডি’ওর জিতেছিল। আমি দ্বিতীয়বার জিতলাম।”
একটা সময় ছিল যখন এই ট্রফিকে প্রায় নিজেদের করে ফেলেছিলেন দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। একবার মেসি জেতেন তো একবার রোনাল্ডো, এই ছিল রুটিন। গত বছর এই সম্মান পান স্পেনের তারকা রদ্রি। এবছর তাঁর জায়গা নিলেন দেম্বেলে। কিলিয়ান এমব্যাপে রিয়েল মাদ্রিদে চলে যাওয়ার পর পিএসজি’কে একার কাঁধে বয়ে নিয়ে যান এই ফরাসি তারকা। গোটা মরশুমে করেন ৩৫ গোল। শুধু তাই নয়, পিএসজি’কে তাদের প্রথম চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের স্বাদ এনে দেন। ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে দুরমুশ করে দেম্বেলের দল।
মেয়েদের বিভাগে টানা ৩ বার এই খেতাব জিতলেন স্পেনের আইতানা বোনমাটি। সতীর্থ বার্সা খেলোয়াড় মারিওনা কালদেনটিকে হারিয়ে এই জয় বোনমাটির। টানা ২ বার সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার পেলেন ইয়ামাল। পিএসজির গোলকিপার জিয়ানলুইগি ডোনারুমা সেরা নির্বাচিত হয়ে পেলেন লেভ ইয়াসিন পুরস্কার।