মহা অষ্টমীর বিকেলে উত্তর কলকাতার মন্ডপ পরিদর্শনে গেলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে একদম বাঙালি মেজাজে ধরা দিলেন তিনি। পরনে নীল রঙের পাঞ্জাবি আর সাদা পাজামা। প্রথমে তিনি যান নাগেরবাজারের জপুর জয়শ্রী পুজো মণ্ডপে। কন্যা অজানিয়া ছাড়াও সেখানে সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে ছিলেন এলাকার সাংসদ সৌগত রায়, সাংসদ পার্থ ভৌমিক, বিধায়ক অদিতি মুন্সী, নির্মল ঘোষ প্রমুখ। জপুর জয়শ্রীর এবারের পুজোর থিম পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবন সংগ্রাম। বাঙালি হওয়ার কারণে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে তাদের যে করুণ পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে তাই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁদের এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে মা দুর্গার কাছে।প্রথমে গোটা মণ্ডপ ঘুরে দেখেন অভিষেক। মা দুর্গাকে পুষ্প নিবেদন করার পাশাপাশি কন্যাকে দিয়েও মায়ের পায়ে ফুল নিবেদন করেন। এরপর বাইরে বেরিয়ে একদল পরিযায়ী শ্রমিকের সঙ্গে একান্তে কথা বলেন দিল্লিতে তৃণমূলের সাংসদিয় দলনেতা। তাঁদের সমস্যার খোঁজখবর নেন। ভবিষ্যতে তাঁদের আর ভিন রাজ্যে কাজ করতে যেতে হবে না, এই আশ্বাস দিয়ে তাঁদের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি। তাঁদের হাতে তুলে দেন পুজোর উপহার। এরপর ব্যারিকেডের ওপারে থাকা দর্শনার্থীদের ডাকে সাড়া দিয়ে তাঁদের কাছাকাছি গিয়ে অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি।শুধু তাই নয়, এরপর মণ্ডপ চত্বরে থাকা এক ফুচকা বিক্রেতার থেকে ফুচকাও খেলেন অভিষেক। খাওয়া শেষে বিক্রেতা যুবকের আবদার মিটিয়ে সেলফিও তুললেন।এরপর তিনি যান বাগুইআটির অশ্বিনীনগর বন্ধুমহল দুর্গাপুজো পরিদর্শনে। সেখানে গিয়েও পুরো মণ্ডপ ঘুরে দেখেন অভিষেক। মায়ের পায়ে ফুল নিবেদনের সঙ্গে বাংলার মনীষীদের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। অষ্টমীর দিন এভাবেই দুর্গাপুজোর আনন্দে শামিল হলেন অভিষেক।





