Header AD

বাজি বাজার শুরু ১৪ অক্টোবর, এবারই প্রথম মহিলাদের উদ্যোগে বিক্রি

রাজ্যে বাজি বাজার শুরু ১৪ অক্টোবর। চলতি বছর কলকাতা পুলিশের এলাকায় চারটি বাজি বাজার বসবে। শহিদ মিনার সংলগ্ন মাঠ, উত্তর কলকাতার টালা, দক্ষিণ কলকাতার বেহালা ও ই এম বাইপাস  লাগোয়া কালিকাপুর মাঠে বসবে বাজি বাজার।  এবছরই প্রথম সম্পূর্ণ মহিলা পরিচালিত বাজির বাজার বসতে চলেছে রাজ্যে। এমনই দাবি বাজি ব্যবসায়ী সংগঠনের। শুক্রবারই কলকাতার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কলকাতা পুলিশের কর্তারা। সবুজ বাজি ছাড়া যাতে অন্য কোনও আতসবাজি বিক্রি করা না হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশকর্তারা। বাজি ব্যবসায়ীরাও তাঁদের কিছু সমস্যার কথা পুলিশকর্তাদের জানিয়েছেন বলে খবর।

শুক্রবারই লালবাজারের কর্তাদের মহিলা পরিচালিত বাজির বাজারের বিষয়টি জানিয়ে  চিঠি দিয়েছেন বাজি ব্যবসায়ীরা।  এই ব্যাপারে সারা বাংলা   আতস   বাজি উন্নয়ন সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায় জানান, এই বছর কালীপুজো ও দীপাবলির আগে বাজি ব্যবসায়ে নামবেন বাড়ির মেয়ে-বউরাও।  মহিলারাই এবার একেবারে আলাদা একটি বাজির বাজার পরিচালনা করবেন। উত্তর কলকাতার বাগবাজার সর্বজনীনের মাঠে এই মহিলা পরিচালিত বাজির বাজার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কালীপুজো ও দীপাবলির কয়েকদিন আগে থেকে বিকেল চারটে থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এই বাজারে কেনাকাটার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এখানে প্রত্যেকটি দোকানে নিজেরা দাঁড়িয়ে থেকে বাজি বিক্রি করবেন বাড়ির মহিলারা। সম্পূর্ণ আইন মেনে ওই বাজার থেকে শুধু সবুজ বাজি বিক্রি করা হবে। এছাড়াও দোকান ও বাজার তৈরির ক্ষেত্রে যাতে অগ্নিসুরক্ষার প্রত্যেকটি নিয়ম মানা হয়, সেদিকে নজর থাকছে তাঁদের। একই সঙ্গে পুলিশকে অনুরোধ জানানো হয়, যাতে নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশকর্মী ও মহিলা পুলিশকর্মী বাগবাজারে মহিলা পরিচালিত ওই বাজির বাজারে মোতায়েন করা হয়।

এ ছাড়াও শহরে ময়দান ও অন্যান্য ডিভিশনে বাজির বাজার সম্পর্কেও শুক্রবার আলোচনা হয়েছে। পুলিশের পক্ষেও বাজির ব্যবসায়ীদের বেশ কিছু নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সবুজ বাজির কিউআর কোড  নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন ওঠে। এ ছাড়াও সব ক্ষেত্রে বাজির বাক্সের  উপর থাকা ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা নিরি-র কিউআর কোড যাচাই করা সম্ভব হয় না। এই ক্ষেত্রে যেন প্রত্যেকটি সবুজ বাজির বাক্সের উপর নিরি-র লোগো থাকে। সেগুলি দেখেই যেন বাজি বিক্রেতারা সবুজ বাজি চিহ্নিত করতে পারেন। বাজি সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক ধ্রুব নারুলা জানিয়েছেন, “এবছর আলাদা করে বাজির বাক্সে কিউআর কোড বাধ্যতামূলক নয়। সরকারি সংস্থা নিরি অনুমোদিত প্রস্তুতকারকদের তালিকা থাকবে। সেই বাজিই বৈধ। পুলিশ অবৈধ বাজি ধরার চেষ্টা করছে। আমরাও সেটাই করব।“