ফের শহরে ইডি হানা। শুক্রবার সাতসকালে শহরের বিভিন্ন জায়গায় অ্যাকশনে নেমে পড়তে দেখা যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে। সঙ্গে ছিলেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। মানব পাচার মামলায় অভিযোগ পেয়ে এবার ইডির তল্লাশি অভিযান। তার মধ্যে কলকাতার তিন ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং এক ইঞ্জিনিয়ারের বাড়ি রয়েছে। কলকাতার নাগেরবাজারে এক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে ইডি গিয়েছে। সল্টলেকের দু’টি বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। সূত্রের খবর, সল্টলেকে যাঁর বাড়িতে ইডি রয়েছে, তাঁর হোটেলের ব্যবসা। শহরের একাধিক হোটেল এবং বারের মালিক তিনি। অভিযোগ, হোটেল ব্যবসার আড়ালে মানব পাচারের ছক কষা হয়েছে। সেই সূত্রে বেআইনি ভাবে প্রচুর টাকার লেনদেনও হয়েছে। এ ছাড়াও ইডির একটি দল শিলিগুড়িতে মানব পাচার মামলার সূত্রে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে বলে খবর।
কয়েক বছর আগে বাগুইআটির একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে এই মামলার এফআইআর দায়ের হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুসন্ধানের পর মামলার তদন্তভার নেয় ইডি। সূত্রের খবর, নাগেরবাজারের ইঞ্জিনিয়ার এবং সল্টলেকের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘ দিন ধরে গোয়েন্দাদের নজরে ছিলেন। তাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই সংক্রান্ত নথিপত্র আদায় করার চেষ্টা করবে ইডি। বেআইনি লেনদেনের বিষয়ে জানতে ব্যাঙ্কের নথিও খতিয়ে দেখা হবে।
সম্প্রতি একাধিক মামলায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইডি। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক ঠিকানায় হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। সংস্থার কর্মী থেকে শুরু করে বালি যে ট্রাকে নিয়ে আসা হয়, তার চালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চলে। বৃহস্পতিবার বালি পাচার মামলায় ব্যবসায়ী অরুণ শরাফকে গ্রেপ্তার করে ইডি। তারপরই শুক্রবার মানব পাচার মামলায় শহরজুড়ে তল্লাশি ইডির।





