সোমবার সকালে দিল্লি সংলগ্ন ফরিদাবাদ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। আর তার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লার সামনে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর স্বাভাবিকভাবেই বড়সড় প্রশ্নের মুখে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোমবারের বিস্ফোরণের (Delhi blast) পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে কাঠগড়ায় তুলে এবার আদালতের নজরদারিতে সিট গঠন করে তদন্তের দাবিতে সরব হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।
মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ লেখেন, “দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। বিস্ফোরণে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। অনেকেই জখম। স্বজনহারা পরিবারের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। জখমদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। দিল্লির প্রাণকেন্দ্রের এই ঘটনায় আমি সত্যিই বিস্মিত। দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন, তাদের উচিত ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার। কীভাবে নিরাপত্তায় এত বড় গাফিলতি হল?” তিনি আরও লেখেন, “সোমবার সকালে ফরিদাবাদে সাড়ে তিনশো কেজির কাছাকাছি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং নজরদারি নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তুলে দেওয়ার মতো। সত্য উদঘাটনে এবং দোষীদের চিহ্নিত করতে প্রয়োজনে আদালতের নজরদারিতে সিট গঠন করা হোক।”
উল্লেখ্য, দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনও জঙ্গি সংগঠন জড়িত রয়েছে কিনা, তা পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তের গতিপথ যেন তেমনই ইঙ্গিত করছে। তদন্তে নেমে শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। আর সেখান থেকেই ঘাতক গাড়িটির মালিকের পরিচয় মিলেছে বলে পুলিশের দাবি। বিস্ফোরণের তীব্রতা দেখে পুলিশের অনুমান, আইইডি বা ওই ধরনের কোনও বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। হামলার ধরন দেখে তদন্তকারীরা অনুমান করছেন এর নেপথ্যে জইশ-ই-মহম্মদের হাত থাকতে পারে।





