সদ্য দ্বিতীয়বার সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন তৃণমূলের জন বার্লা (John Barla)। তারপরই ভাগ্য বদলে গেল। গুরু দায়িত্ব এসে পড়ল কাঁধে। তাঁকে মাইনোরিটি (সংখ্যালঘু কমিশন) কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে এই মর্মে জন বার্লাকে ইমেল করে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। এই দায়িত্ব পেয়ে খুশি হয়েছেন ডুয়ার্সের বিতর্কিত রাজনৈতিক চরিত্র জন বার্লা। সংবাদমাধ্যামকে তিনি বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি খুশি। আমি ডুয়ার্সের জন্য কাজ করবো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই এই রাজ্যের ভালো করতে পারেন। আমি আগেই কাজে নেমেছিলাম। এবার এই দায়িত্ব পেয়ে আমি ঝাঁপিয়ে কাজ করবো।”
বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে জন বার্লাকে রাজ্যস্তরের বড় পদ দেওয়ায় ডুয়ার্সের রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনে ভাইস চেয়ারম্যানের দুটো পদ থাকে। একজন ভাইস চেয়ারম্যান হলেন জন বার্লা।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে জিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন জন বার্লা। কিন্তু ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জনকে টিকিট দেয়নি। আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপির সভাপতি মনোজ টিগগাকে আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে টিকিট দেয় বিজেপি। তার পরেই বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে জন বার্লা। মনোজ টিগগার সঙ্গে পরবর্তীতে প্রকাশ্যে বিবাদ করতেও দেখা যায় প্রাক্তন এই সাংসদকে।এর পর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন জন বার্লা।
প্রসঙ্গত, গত কয়েকমাস আগে প্রয়াত হয়েছেন জন বার্লার প্রথম স্ত্রী। তার সাত মাস পরে দলগাঁও চাবাগানের দলমনি ডিভিশনের মঞ্জু তিরকের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দ্বিতীয় বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই বড় পদ পেলেন জন বার্লা। তাহলে কি নতুন বিয়েতেই তাঁর কপাল খুলল?





