Header AD

BSF অত্যাচার করলে মহিলারা সামনে থাকবে, ছেলেরা পিছনে : বিজেপির অপশাসন ঠেকাতে তৃণমূলনেত্রীর নির্দেশ

রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলা কোচবিহারে বিএসএফ-এর অত্যাচার নিত্যদিনের ঘটনা। নির্বাচনের আগে তা
আরও তীব্র হবে, এমনটাই আশঙ্কা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে কোচবিহারের মানুষকে আশ্বস্ত করে তৃণমূল সুপ্রিমোর বার্তা, ভয় পাবেন না। প্রত্যেকটা অঞ্চলে মানুষ জোট বাঁধুন।
সেই সঙ্গে তিনি স্থানীয় মানুষকে বলেন, “বিএসএফ (BSF) যদি কারো উপর কোনও অত্যাচার করে মেয়েদের (women) এগিয়ে দিন। মেয়েরা সামনে দাঁড়াবে। ছেলেরা পিছনে থাকবে। আমি দেখতে চাই মা-বোনেদের ক্ষমতা বড় না বিজেপি পার্টির ক্ষমতা বড়। কোনটা বেশি আমি দেখতে চাই।”

কোচবিহারের রাসমেলা মাঠের দলীয় সভামঞ্চ থেকে ২০২১ সালে বিএসএফ-এর গুলিতে আনন্দ বর্মণের মৃত্যুর ঘটনায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির স্বরূপ তুলে ধরে দাবি করেন, “শীতলকুচির (Sitalkuchi) কেসে এই আনন্দ বর্মণ মামলায় সিবিআই (CBI) এখনও গ্রেফতার করে রেখে দিয়েছে। কি অন্যায় দেখুন। যে গুলি চালিয়েছিল তার কিছু হল না। আর যারা মারা গেল তাঁদের পরিবারকে জেল খাটতে হচ্ছে। এই যে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে (central agency) হাতের পাপেটে পরিণত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার একটা অত্যাচারী, স্বৈরাচারী, ভ্রষ্টাচারী সরকার।”

পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী মনোভাবের কথা বলতে গিয়ে সোনালি বিবির প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। বলেন, “সোনালিদের ছাড়িয়ে এনেছি। বাকি চারজনকেও ছাড়িয়ে আনব।” রাসমেলার মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, দিল্লির পুলিশ সোনালিদের বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দিয়েছিল। সেখানে তাঁদের অনেক কষ্টের মধ্যে থাকতে হয়েছে। খেতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। বাংলা থেকে খাবারের জন্য টাকা পাঠানো হত। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কিছুই করা হয়নি বলে অভিযোগ। রাজ্য সরকার সোনালি বিবি ও তাঁর ছেলেকে ফিরিয়ে এনেছে। জোরালভাবে সেই কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে থাকা বাকি চারজনকেও রাজ্য সরকার ফিরিয়ে আনবে। সেই বার্তা এদিন দিয়েছেন তিনি।