Header AD

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জে নীরব কেন্দ্র! সংসদ চত্বরে অভিনব প্রতিবাদ তৃণমূলের, শামিল কংগ্রেস – সমাজবাদী পার্টি

প্রায় ২১ মাস অতিক্রান্ত হলেও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ অনুসারে শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পারল না কেন্দ্র সরকার। বাংলার জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে, এই প্রশ্ন তুলে শ্বেতপত্র প্রকাশের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। সেই দাবি নতুন করে তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। শ্বেতপত্র প্রকাশ না করার প্রতিবাদে সংসদে অভিনব বিক্ষোভ দেখালেন এই দলের সাংসদরা। এই বিক্ষোভের তাৎপর্য এটাই যে শুধু রাজ্যের শাসক দলের সাংসদরা নন, অংশ নিয়েছিলেন কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টির একজন করে সাংসদ। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বাংলার বকেয়া টাকা নিয়ে একুশ মাসে কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিলেন। শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে বলেছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার নীরব,  এতদিন হয়ে গেলেও  শ্বেতপত্র  প্রকাশ করা হয়নি। তাই আমরা আজ কেন্দ্রের এই নীরবতার প্রতিবাদ করছি।”

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, একশো দিনের কাজ প্রকল্প (মনরেগা)-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাংলার প্রায় দুই লক্ষ কোটি এখনও বকেয়া। বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজও পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে রাজ্যে। এই ইস্যুতেই বুধবার সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে মকর দ্বারের সামনে ‘সাদা কাগজ’ হাতে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সাংসদরা। শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি, তাই সাদা কাগজে কিছু না লিখেই প্রতিবাদ করা হয়। সঙ্গে স্লোগান, ‘বাংলার বকেয়া কবে মেটানো হবে নরেন্দ্র মোদি জবাব দাও।’ লোকসভা-রাজ্যসভা সব সাংসদই ওই বিক্ষোভে যোগ দেন। কংগ্রেসের এক সাংসদ এবং সমাজবাদী পার্টির এক সাংসদও সাময়িকভাবে প্রতিবাদে যোগ দেন। তাঁদের দাবি যে বৈধ, সেটা অন্য বিরোধী দলগুলির সমর্থনেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য রাজ্যের শাসক দলের। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “সাদা কাগজ কালো হতে বেশিদিন সময় লাগবে। যে কোনও সরকারি প্রকল্পে ভূরি ভূরি দুর্নীতি। তার থেকে তৃণমূল কোনওদিন বেরিয়ে আসতে পারবে না।”