আর কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হবে গঙ্গাসাগর মেলা। মকরসংক্রান্তি উপলক্ষে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী ভিড় জমাবেন । মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের মেলাকে কেন্দ্র করে অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন। সিসিটিভি থেকে জিপিআরএস ট্র্যাকিং সিস্টেম তো থাকছেই। সেই সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে নয়া প্রযুক্তি। ড্রোনের মাধ্যমে বিপন্ন মানুষকে উদ্ধারের ব্যবস্থা থাকছে সাগরমেলায়।
উল্লেখ্য, স্নানের সময় যদি কোনও পুণ্যার্থীর জলে ডুবে যাওয়ার বা ভেসে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় তবে এই ড্রোন সেই বিপদগ্রস্তকে মানুষকে উদ্ধার করবে। এপ্রসঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক অরবিন্দ মিনা জানিয়েছেন, নতুন এই ব্যবস্থা এই বছর মেলায় পরীক্ষামূলক ভাবে চালু করা হচ্ছে। নজরদারি চালাতে গিয়ে যদি দেখা যায় লট ৮ বা কচুবেড়িয়ার মধ্যে পারাপারের সময় মুড়িগঙ্গায় কেউ বিপদে পড়েছেন কিংবা মকরের পুণ্যস্নানের সময় বিপদে পড়েছেন তাঁকে উদ্ধার করতে জলে পৌঁছে যাবে এই নতুন ড্রোন। এর পাশাপাশি আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা তো থাকছেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জেলাশাসকের নেতৃত্বে আধিকারিক এবং জেলা পুলিশের গোটা টিম একযোগে কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, এইবছর কুম্ভমেলা না থাকায় গঙ্গাসাগর মেলায় প্রবল ভিড় হবে বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসন-সকলেই। সেই সঙ্গে মাঘ মেলা থেকেও বহু সাধুসন্ত এবং পুণ্যার্থীরা এবারের মেলায় আসতে পারেন। ফলে সবদিক বিবেচনা করেই নিজেদের তৈরি রাখছে জেলা প্রশাসন। আগামী ৯ তারিখ শুরু হবে এবারের সাগরমেলা। তার আগে ৮ জানুয়ারি আউট্রাম ঘাটে সাধুদের অস্থায়ী শিবির পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী।





