দেব, মহম্মদ শামির পর এবার নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে SIR শুনানির নোটিশ পাঠাল কমিশন! এর পরিপ্রেক্ষিতে বীরভূমের সভা থেকে নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। এদিনে সভায় অমর্ত্য সেনকে শুনানির নোটিস পাঠানো ইস্যুতে অভিষেক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “হায় রে পোড়া কপাল! আসতে আসতে শুনছিলাম, অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠিয়েছে। ভারতের জন্য নোবেল পুরস্কার জিতে এনেছেন। দেশের নাম বিশ্বসভায় বিশ্ববন্দিত করেছেন। যাঁকে দেখে দেশকে মানুষ চেনেন। যাঁর হাত ধরে দেশ সমৃদ্ধ হয়েছেন, তাঁকে এসআইআরের নোটিস পাঠিয়েছে।”
পাশাপাশি এসআইআর ইস্যুতে এদিন ফের নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একযোগে তোপ দাগেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন , “কাল দেখছি, বাংলা সিনেমার উজ্জ্বল নক্ষত্র, তাঁকে হিয়ারিং নোটিস পাঠিয়েছে। মহম্মদ সামি, যে বিশ্বকাপ খেলে বিশ্বকাপ জিতেছে, তাঁকেও এসআইআরের নোটিস পাঠিয়েছে। নোটিস পাঠিয়ে আনম্যাপ করার চক্রান্ত। যারা বাংলার মানুষকে আনম্যাপ করতে চায়, তাঁদের বাংলা থেকে আনম্যাপ করে ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে।”
একইসঙ্গে রাজ্যের লক্ষ্মী ভাণ্ডার আটকে দিতে চেয়ে বিজেপির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বলেন, “ওরা ভেবেছিল, তৃণমূলকে ধমকে চমকে, গরিব মানুষের টাকা আটকে মানুষকে শিক্ষা দেবে। মায়েদের উদ্দেশে বলতে চাই, গত ৪-৫ বছরে আমাদের সরকার যে লক্ষ্মীর ভান্ডার দিচ্ছে, এক বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ২৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করে প্রতি মায়েদের লক্ষ্মীর ভান্ডার দিচ্ছে। যতদিন মমতা সরকার রয়েছে, এরা আপনার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের দিকে চোখ তুলে দেখার ক্ষমতা রাখবে না। যে ভাবে মাসের প্রথমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, সেভাবেই পাবেন। বিজেপির যত বড় নেতা হোক, আটকাতে পারবে না। বিজেপি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আটকাতে চায়। যোগ্য জবাব দেবেন কি না!”
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য কমিটির নেতা কালীপদ সেনগুপ্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলছেন, “স্বামীদের বলব, যাঁদের স্ত্রী লক্ষ্মীর ভান্ডার পাচ্ছেন, তাঁদের বন্দি করে রাখুন।” এর প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল। সভা থেকে অভিষেক দাবি করেন “যতই এসআইআর করুক, ষড়যন্ত্র করুক, তৃণমূল কংগ্রেস আগামী দিন মানুষের দোয়া, আশীর্বাদ নিয়ে ভোটের সংখ্যা বাড়াবে, ভোটের শতাংশ বাড়বে। ২১৪ পার করে তৃণমূল আরও শক্তিশালী হবে।”





