অপরিকল্পিত এস আই আর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রথম থেকেই সরব রাজ্যের শাসকদল। আনম্যাপড ও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ৫৪ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবাদে পথে নেমেছে তৃণমূল। সুপ্রিম কোর্টে মামলাও দায়ের করেছে। এমনকি এস আই আর-এর শুনানি প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের হয়রানির প্রতিবাদেও সরব হয়েছে শাসকগোষ্ঠী। এবার সেই প্রতিবাদের সামনে পিছু হঠল নির্বাচন কমিশন। একে নিজেদের নৈতিক জয় বলছে তৃণমূল। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে দলের তরফে লেখা হয়েছে- ‘এটা আমাদের লড়াইয়ের ফল, এটাই আমাদের জয়।’
উল্লেখ্য SIRএর শুনানির নামে সাধারণ মানুষ ও বয়স্ক, অশক্ত, বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্নদের হেনস্তার প্রতিবাদে সরব রাজ্যের শাসকদল। শুনানিতে সশরীরে হাজির থাকতে গিয়ে অনেকেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এমনকি যারা কাজে কর্মে বাইরে রয়েছেন তাঁদের শুনানি কেন্দ্রে সশরীরে হাজির থাকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। এবার তাঁদের অব্যাহতি দিল কমিশন। এই পদক্ষেপকে নিজেদের জয় হিসাবে দেখছে রাজ্যের শাসকদল। এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দলের তরফে লেখা হয়েছে, ‘যেসব ক্ষেত্রে “unmapped” ও “logical discrepancy” চিহ্নিত হয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই SIR শুনানিতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য হয়েছে কমিশন।’

কাদের শুনানি থেকে অব্যাহতি দিল কমিশন? এপ্রসঙ্গে তৃণমূল তাদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লিখেছে, ‘পড়াশোনা, বেসরকারি ক্ষেত্রে কাজ করার কারণে সাময়িকভাবে রাজ্যের বাইরে থাকা ব্যক্তি ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী, সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য এবং PSU কর্মী এবং সাময়িকভাবে বিদেশে বসবাসরত ভোটার’ দের শুনানিতে সশরীরে হাজির থাকতে হবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে দাবি তুলেছিলেন তা মানতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন- মনে করছে রাজ্যের শাসকদল।





