Header AD

কেন্দ্রকে নিশানা করে পরিযায়ী শ্রমিকদের সহায়তায় ‘একডাকে অভিষেক’ হেল্পলাইন চালু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে চড়ছে রাজনৈতিক তরজার পারদ। এই আবহে আজ মালদহে পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে সভা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের সুবিধা-আসুবিধা, সমস্যার খোঁজ নিলেন। আর এদিনের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে কড়া ভাষায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেই সঙ্গে পরিযায়ী শ্রমিকদের যে কোনও সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন। সেইসঙ্গে একটি হেল্পলাইন নম্বরও চালু করলেন। ‘একডাকে অভিষেক’ নামে সেই হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে সমস্যার কথা জানাতে পারবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা।  এরপর  কেন্দ্রীয় সরকার, বিজেপি এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে একের পর এক তোপ দাগেন তিনি। স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন, ‘২৬ এর ভোটে সিনেমা দেখাব। তৈরি থাকো। আমার সভায় খেলা হবে। এবার পদ্ম ফুল ওপড়ানো হবে। ২০২৯-এ এদের খেলা শেষ।’

রাজ্য বিধানসভা ভোটে এবারে অন্যতম ইস্যু হল পরিযায়ী শ্রমিক। ভিন রাজ্যে গিয়ে বারবার তাঁদের হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিশেষ করে বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করে চলছে অত্যাচার, তারপর জেলে পাঠানো হচ্ছে। এই অভিযোগ নিয়ে বারবার সরব হয়েছে রাজ্যের শাসক দল  তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন মালদহের বেশ কয়েকজন পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। তাঁদের ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেন। অভিষেক বলেন, ‘পরিযায়ী শ্রমিকদের আর ফেরত যেতে দেব না। আমাকে তিন মাস সময় দিন। যারা বাংলাদেশি বলে আপনাদের জেলে ঢুকিয়েছে তাদের দিয়ে ক্ষমা চাওয়াব। চতুর্থবার সরকার গড়ে সকলের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থাও করব।‘

এরপর এলাকার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে নিশানা করে অভিষেক বলেন, ‘ এখানকার সাংসদ খগেন মুর্মু বিজেপির। যে রাজ্যে গিয়ে এখানকার পরিযায়ী শ্রমিকরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন, সেখানেও বিজেপির সরকার। তাও কি এখানকার মানুষের সঙ্গে একবারও কথা বলেছেন খগেন মুর্মু? পরিযায়ীল শ্রমিকদের ব্যাপারে কথা বলেছেন সেই রাজ্যের সরকারের সঙ্গে? মানুষ কিন্তু বোকা নয়। সব বুঝছে। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম যদি হয় অমিত শাহ, বাংলার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৯-এ বিজেপির শেষ। শুধু নিজেরা ভাগ হবেন না। আপনাদের একসঙ্গে থাকতে হবে, যেখানে ভাগ সেখানেই বিজেপির লাভ।“ এ দিনের সভা থেকে তৃণমূলের শীর্ষ নেতার হুঙ্কার, ‘প্রধানমন্ত্রী আসছেন এখানে। আমি সেই একই মাঠে সভা করব ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। সেদিন ট্রেলার দেখাব। আর ২৬ এর ভোটে সিনেমা দেখাব। তৈরি থাকো। আমার সভায় খেলা হবে। এবার পদ্ম ফুল ওপড়ানো হবে।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলিকে বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে তৃণমূল৷