Header AD

জেলা নেতৃত্বকে নিবিড় জনসংযোগে জোর দেওয়ার বার্তা অভিষেকের

বৃহস্পতিবার হাওড়া ও ঝাড়গ্রাম এর জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে হাওড়া সদর ও গ্রামীণের নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করলেন অভিষেক। হাওড়া ছাড়াও এদিন বৈঠক হয় ঝাড়গ্রাম জেলা নেতৃত্বের সঙ্গেও। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিও। হাওড়া সদর ও গ্রামীণের সমস্ত বিধায়ক, তিন মন্ত্রী পুলক রায়, অরূপ রায়, মনোজ তিওয়ারি, গ্রামীণ ও সদরের সভাপতি, চেয়ারম্যান, যুব, মহিলা ও আইএনটিটিইউসির সভাপতিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।এদিনের বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা নেতৃত্বের কাছে নিবিড় জনসংযোগের ওপর বিশেষ জোর দেন। এছাড়া আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান-এর প্রত্যেকটি শিবিরে বিধায়কদের যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন তিনি। বলেন, শিবিরে গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাঁদের সমস্যার কথা শুনতে হবে। এই কর্মসূচি সফল করার জন্য এলাকায় প্রচার চালাতে হবে। ছোট ছোট সভা, বৈঠক করে এলাকায় গিয়ে প্রচার চালাতে হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যের জনমুখী প্রকল্পগুলির কথাও মানুষের কাছে বেশি করে তুলে ধরতে হবে। এইসব প্রকল্পের সুবিধা সবাই পাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। এর পাশাপাশি সংগঠনকেও আরও মজবুত করে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতিও এখন থেকে শুরু করে দেওয়ারও নির্দেশ দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সবার রিপোর্ট কার্ড তৈরি করেছি। তার ভিত্তিতে সাংগঠনিকস্তরে কিছু রদবদল হতে পারে। যে পরিবর্তন হবে সেই নিয়ে সবাইকে একসঙ্গে ২০২৬-এর ভোটের জন্য এখন থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে গতবারের মতো এবারও হাওড়ায় সব ক’টি আসনে জিততে হবে। সেই লক্ষ্যেই এখন থেকে সবাইকে একসঙ্গে প্রস্তুতি শুরু করে দিতে হবে। প্রসঙ্গত, হাওড়া সদরের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে ফের উঠল হাওড়া পুরসভায় টানা সাত বছর ভোট না-হওয়ার প্রসঙ্গ। ভোট না-হওয়ার ফলে হাওড়া শহরে যে দুরবস্থা তৈরি হয়েছে, সেই প্রসঙ্গ আলোচনায় আসে। তৃণমূল সূত্রের খবর, হাওড়ার নেতাদের অভিষেক আশ্বস্ত করেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন।