মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমানের দুর্ঘটনা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠে আসছে। ঘটনার পর বুধবার কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের বিবৃতি রহস্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়েছে, দুর্ঘটনার আগে পাইলটের তরফে কোনও ‘মে ডে’ কল বা বিপদসংকেত পাঠানো হয়নি। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রথমবার অবতরণে ব্যর্থ হওয়ার পর সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে বারামতি বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) রানওয়ে ১১-তে দ্বিতীয়বার অবতরণের অনুমতি দেয়। কিন্তু সেই অনুমতির পরও পাইলটের কাছ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঠিক এক মিনিট পর, অর্থাৎ সকাল ৮টা ৪৪ মিনিট নাগাদ বিমানবন্দর চত্বরে আগুন দেখতে পান কর্তৃপক্ষ।
এই ঘটনাক্রম সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন তুলেছে একটি বিষয়েই—বিপর্যয়ের আগে কেন পাইলট ‘মে ডে’ সংকেত দেননি? সাধারণত ইঞ্জিন বিকল, যান্ত্রিক ত্রুটি বা আগুনের মতো গুরুতর পরিস্থিতিতে পাইলটরা সঙ্গে সঙ্গে এটিসিকে সতর্ক করেন, যাতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে তেমন কোনও সংকেতই মেলেনি বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। এই তথ্য সামনে আসতেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। এত দ্রুত এমন কী ঘটেছিল যে পাইলটরা কিছু জানানোর সুযোগই পেলেন না? কেউ কি ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের অচেতন করে দিয়েছিল—এমন তত্ত্বও আলোচনায় আসছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে হলে ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার, অর্থাৎ ব্ল্যাক বক্সের তথ্য বিশ্লেষণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তদন্তের ফল না আসা পর্যন্ত অজিত পাওয়ারের বিমানের দুর্ঘটনা ঘিরে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাচ্ছে।





