মাওবাদী মুক্ত ভারতের লক্ষ্যে আবারও বড় সাফল্য। মঙ্গলবার ‘জঙ্গলের ত্রাস’ মাদভি হিদমাকে খতম করার পর গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল আরও ৭ মাওবাদীর। ‘আত্মসমর্পণ অথবা মৃত্যু’ লাল সন্ত্রাসীদের এই দুইয়ের মধ্যে যে কোনও একটি বিকল্প বেছে নিতে বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেইমতো জোরকদমে চলছে অভিযান। মৃতের তালিকায় রয়েছে ৩ জন মহিলা সদস্যও।
গোপন সূত্রে মাওবাদী ডেরার সন্ধান পেয়ে নিরাপত্তাবাহিনী মঙ্গলবার সকালে অভিযান শুরু করেছিল। অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং তেলেঙ্গানা রাজ্যের সীমানায় জঙ্গল এলাকায় এই অভিযান চলে। এই এলাকাটি অন্ধ্রপ্রদেশের আল্লুরি সিতারামারাজু জেলায় অবস্থিত। গোলাগুলিতে একজন শীর্ষ মাওবাদী নেতা-সহ এখনও পর্যন্ত ৭ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এপি ইন্টেলিজেন্সের এডিজি মহেশচন্দ্র লাদ্ধা বলেন, এদিনের অভিযান মঙ্গলবারের অভিযানেরই একটি অংশ ছিল। এখনও পর্যন্ত গুলির লড়াইয়ে ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে তিনজন মহিলা সদস্যও রয়েছেন। মৃতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এখনও পর্যন্ত একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। ইনি মাওবাদী নেতা মেতুরি জোখা রাও ওরফে টেক শংকর। এই যুবক অন্ধ্র-ওড়িশা সীমান্ত অঞ্চলের এরিয়া কমিটির সদস্য। অস্ত্র তৈরির সঙ্গে মাওবাদীদের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতেন টেক শংকর। পাশাপশি অন্ধ্রপ্রদেশের এনটিআর, কৃষ্ণা, কাকিনাড়া, কোনাসিমা এবং এলুরু জেলা থেকে ৫০ জন মাওবাদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ৪৫টি অস্ত্র, ২৭২ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন-সহ বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক।





