বছর ঘুরলেই ২০২৬ সালে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে পুরোদমে প্রস্তুতি চালাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। ঠিক তার মধ্যেই গত সোমবার রাতে বাংলার ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় কো-অডিনেটরের নাম ঘোষনা করল তৃণমূল কংগ্রেস। উল্লেখ্য, গত ২৬ ডিসেম্বরের ভার্চুয়াল বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ( Abhishek Banerjee)জানিয়েছিলেন, বাংলার সবকটি বিধানসভা কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটরের নাম জানিয়ে দেওয়া হবে। তার ঠিক তিনদিনের মধ্যেই ঘোষিত হল সেই নাম। সোমবার রাতে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) অনুমোদনক্রমে ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের কো-অর্ডিনেটরের (Co-ordinator) নাম সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দিয়েছিল তৃণমূল।
দায়িত্বের ভাগের ক্ষেত্রে যেমন প্রবীণ নেতৃত্ব, সাংসদ ও বিধায়ক আছেন তেমনই যুব ও মহিলা নেতৃত্বকেও কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব দিয়েছে দল। তাৎপর্যপূর্ণ হল, একমাত্র বীরভূম জেলায় ১১টি বিধানসভার ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তি নয়, গোটা কোর-কমিটিকেই সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৈঠক থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “কো-অর্ডিনেটররা দলের চোখ-কান হয়ে কাজ করবেন। শীর্ষ নেতৃত্বকে রিপোর্ট করবেন। দল সেই অনুযায়ী কেন্দ্রটি সম্পর্কে পর পর দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।”
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যে লিস্ট সোশ্যাল হয়েছে, তাতে তুলে ধরা হয়েছে- রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, রানাঘাট দক্ষিণ–তাপস কুমার ঘোষ। রানাঘাট উত্তর-পূর্ব ও কৃষ্ণগঞ্জ–রত্না ঘোষ কর। চাকদা, হরিণঘাটা, কল্যানী–চঞ্চল দেবনাথ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার গাইঘাটা, বাগদা–নরোত্তম বিশ্বাস। বনগাঁ উত্তর ও দক্ষিণ, স্বরূপনগর–পরিতোষ সাহা। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার বসিরহাট দক্ষিণ, হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালি–সুরজিৎ মিত্র (বাদল)। বারাসাত সাংগঠনিক জেলার হাবড়া, অশোকনগর–জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু). মধ্যমগ্রাম, বারাসাত, দেগঙ্গা–রথীন ঘোষ। রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর–তাপস চট্টোপাধ্যায়। দমদম বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি–সুবোধ অধিকারী। ভাটপাড়া, জগদ্দল–হিমাংশু সরকার (বাপি)। নোয়াপাড়া ও বারাকপুর–উত্তম দাস। খড়দহ, পানিহাটি–তীর্থঙ্কর ঘোষ (পুঁচি)। কামারহাটি, বরানগর–অঞ্জন পাল। দমদম, দমদম উত্তর, রাজারহাট গোপালপুর–প্রবীর পাল।





