এসআইআর (SIR) আতঙ্কে ফের মৃত্যুর অভিযোগ! ঘটনাটি ঘটেছে ডানকুনি পৌরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। মৃতের নাম হাসিনা বেগম।স্থানীয়দের দাবি নজরুলপল্লির একটি ভাড়া বাড়িতে মেয়ের সঙ্গেই ওই প্রৌঢ়া থাকতেন। পরিবারের দাবি, ”২০০২ সালের ভোটার লিস্টে হাসিনা বেগমের নাম নেই। আর তা জানার পর থেকেই হাসিনা বেগম কয়েকদিন ধরেই SIR প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর চিন্তায় ভুগছিলেন।“ ঘটনার খবর পেয়েই এলাকায় ছুটে গিয়েছেন ডানকুনি পুরসভার পুর প্রধান হাসিনা শবনম। তাঁর দাবি, ”২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম নেই জানার পর থেকেই আতঙ্কিত ছিলেন হাসিনা বেগম। সেই চিন্তায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।” শুধু এই মহিলাই নন, এসআইআর আতঙ্কে এলাকার আরও একজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ডানকুনি পুরসভার পুর প্রধান। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এলাকায় যাচ্ছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বরাও।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই এলাকায় এসআইআর সংক্রান্ত একটি মিটিং হয়। এরপর থেকেই চিন্তায় ছিলেন ৬০ ঊর্ধ্ব হাসিনা। এর মধ্যেই তিনি জানতে পারেন তাঁর ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম নেই। পরিবারের দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন হাসিনা বেগম। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
বলে রাখা প্রয়োজন, ইতিমধ্যে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার থেকেই বাড়ি বাড়ি যাবেন কর্মীরা। এহেন ঘোষণার পরেই আত্মহত্যা করেন পানিহাটি এলাকায় বাসিন্দা প্রদীপ কর। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত তোলপাড় চলছে। এর মধ্যেই ইলামবাজার, পূর্ব বর্ধমানেও এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার ডানকুনির হাসিনা বেগমের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই ফের বিতর্ক শুরু হয়েছে।





