Header AD

এসআইআর আতঙ্কে ফের মৃত্যু রাজ্যে! অসুস্থ এক BLO হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

এসআইআর আতঙ্কে ফের মৃত্যু রাজ্যে! মৃত ব্যক্তির নাম বাবলু হেমব্রম। পরিবারের দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবলু ও তাঁর পরিবারের কারও নাম নেই। এই কথা জানার পর থেকেই বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। যার কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পিংলার বিধায়ক অজিত মাইতি। বিধায়ক জানান, বাবলু হেমব্রম এবং তাঁর পরিবার ওই এলাকার দীর্ঘদিনের বাসিন্দা। এই মৃত্যুর দায় নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এছাড়াও, এই ঘটনায় বিজেপিকেও বিঁধলেন তৃণমূল বিধায়ক। তিনি বলেন, “যেভাবে এসআইআর নিয়ে বিজেপি বিষাক্ত প্রচার করছে তাতে মানুষ আতঙ্কিত। এই ঘটনা তারই প্রতিফলন।“

অন্যদিকে,  কাজের চাপে’ আরও এক বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ঘটনাস্থল হুগলির বাঁশবেড়িয়া। বাঁশবেড়িয়া পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ১৪৮ নম্বর বুথের বিএলও হিসাবে কাজ করছিলেন আবু তোহরাব বিন আমান। রবিবার সন্ধায় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন তিনি। বুকে তীব্র প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করছিলেন। চুঁচুড়া সদর হাসপাতাল থেকে অসুস্থ বিএলওকে স্থানান্তর করা হয়েছে কল্যাণীর হাসপাতালে। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি গুরুতর বলে জানাচ্ছে পরিবার।

অক্টোবরের শেষের দিকে বাংলায় এসআইআর বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে মানুষের মনে সৃষ্টি হয়েছে প্রশ্ন ও ভয়। এছাড়াও দেশ ছাড়া হওয়ার আতঙ্কেও অনেকেই আত্মহত্যা করেছেন বলেও অভিযোগ। এর মধ্যেই আরও এক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল রাজ্যে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রের খবর, বছর ৪৫-এর বাবলু হেমব্রম পিংলা বিধানসভার খড়গপুর দুই ব্লকের কালিয়ারা  গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৫ নম্বর বুথের দক্ষিণ ঢেকিয়া গ্ৰামের বাসিন্দা। গত বছর তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয় । চার সন্তান এবং বৃদ্ধ মাকে নিয়েই থাকতেন বাবলু। পরিবারের অভিযোগ, ”২০০২ সালের ভোটার তালিকায় পরিবারের কারও নাম নেই। যা নিয়ে খুবই চিন্তায় ছিলেন। বারবার বলতেন, “আমাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেবে না তো!” সেই আতঙ্কেই রবিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন বাবলু হেমব্রম এবং সোমবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর।