গত বছর থেকেই শোনা যাচ্ছে পাকিস্তানি ভিক্ষুকে ভরে গিয়েছে সৌদি আরবের রাস্তাঘাট। তারপর থেকেই পাক নাগরিকরা আর সহজে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ভিসা পাচ্ছেন না। এবার ইউএই সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রায় ৫৬ হাজার পাক ভিখারিকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব। গত মাসেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহী বেশিরভাগ পাকিস্তানি নাগরিককে ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আরব দেশে যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলে তার সিংহভাগের পিছনেই পাকিস্তানের নাগরিকদের হাত থাকে। সেইসঙ্গে রয়েছে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়াও। হাজার হাজার পাকিস্তানি কেবল ভিক্ষা করার উদ্দেশ্যেই বিদেশে ভ্রমণ অব্যাহত রেখেছে। সেই জন্যই সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো দেশগুলি ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে এত কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে প্রকাশিত এক আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়, বিদেশে যত ভিখারি গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৯০ শতাংশই পাক নাগরিক। শুধু তাই নয়, মক্কার মসজিদ চত্বরে যত পকেটমার ধরা পড়ে তাদেরও অধিকাংশই পাকিস্তানি। এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। পাকিস্তান অনেক আগেই এই অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছে। ভিখারি পাঠানো মাফিয়া চক্রের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আশ্বাসও সৌদিকে দিয়েছিল পাকিস্তান। সংগঠিত ভিক্ষুক চক্রগুলির বিদেশে যাওয়া আটকাতে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি ২০২২ সালে ৬৬ হাজার ১৫৪ জন যাত্রীকে বিমান থেকে নামিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ভিখারি সমস্যার কোনও সুরাহা যে হয়নি, তা স্পষ্ট হল নতুন খবরে।





