Header AD

ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বের মডেল বাংলা, উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলেছিল আগেই। এবার ডায়াবেটিস বা মধুমেহর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বজুড়ে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে বাংলা। সম্প্রতি এসএসকেএমে এসেছিলেন অসংক্রামক রোগের অন্যতম বিশিষ্ট চিকিৎসক হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের অধ্যাপক জিন বুকম্যান। তিনি টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলার উদ্যোগের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে যান। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলার এই সাফল্যের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে টাইপ-১ ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ‘বাংলার মডেল’ একটি বিশ্বব্যাপী অনুকরণীয় মডেল হয়ে উঠেছে।“এটিই দেশের প্রথম রাজ্য সরকার পরিচালিত কর্মসূচি, যা এখন গোটা বিশ্ব কুর্নিশ জানাচ্ছে, জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ভারতে টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা সর্বাধিক হলেও, এ রাজ্য ছাড়া অন্য কোনও রাজ্যে এত সংগঠিত সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। প্রাথমিকভাবে চারটি জেলায় এই প্রকল্প শুরু হলেও এখন তা ১১টি জেলায় বিস্তৃত। ন্যাশনাল হেলথ মিশনে জুভেনাইল ডায়াবেটিসের আলাদা প্রকল্প না থাকলেও, রাজ্য সরকার স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ নেয়। সেই উদ্যোগকেই এখন স্বীকৃতি দিচ্ছে গোটা বিশ্ব। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস সাধারণভাবে দু’ধরনের, টাইপ-১ ও টাইপ-২। টাইপ ১ ডায়াবেটিস মূলত জিনগত সমস্যার জন্য এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। একে অটোইমিউন রোগ বলা হয়। প্রাথমিকভাবে চারটি জেলায় এই কাজ শুরু করেছিল স্বাস্থ্য দপ্তর। পরবর্তীতে তা আরও ১১টি জেলায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল হেলথ মিশন প্রজেক্টে জুভেনাইল টাইপ-১ ডায়াবেটিসের কোনও সুযোগ রাখা হয়নি। রাজ্য সরকার স্বতপ্রণোদিতভাবে কাজ শুরু করে। সেই নজিরবিহীন পদক্ষেপেরই স্বীকৃতি এখন দিচ্ছে গোটা বিশ্ব।