ফের রহস্যমৃত্যু বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের! চেন্নাই থেকে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বাড়ির ফেরার বদলে এল মৃত্যু সংবাদ। বাড়ি ফেরার পথে প্রথমে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যান মুর্শিদাবাদের ওই শ্রমিক। পরে দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃতের নাম মহিরুল মল্লিক। তাঁর বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানা এলাকায়। জানা গিয়েছে, কাজের সূত্রে তিনি চেন্নাই গিয়েছিলেন।
পরিযায়ী শ্রমিক মহিরুল মল্লিকের মৃত্যুকে ঘিরে সরব পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, তাঁকে ‘খুন’ করা হয়েছে। ঘটনার সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও তুলেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানার যশোহরি চৈতন্যপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন মহিরুল মল্লিক। বেশ কিছুদিন আগে কাজের সূত্রে তিনি চেন্নাই যান। সেখানে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের দাবি, বাড়ি ফেরার কথা আগেই জানিয়েছিলেন মহিরুল। নির্দিষ্ট দিনেই চেন্নাই থেকে হাওড়াগামী ট্রেনে উঠেছিলেন তিনি। তাঁকে ট্রেনে তুলে দিয়েছিলেন তাঁর জামাইবাবু। কিন্তু তারপর থেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরই মধ্যে মঙ্গলবার বিকেলে পরিবারের কাছে একটি ফোন আসে। জানানো হয়, মুর্শিদাবাদ জেলার সালারের রায় গ্রামে এক যুবক অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারাই তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যান কান্দি মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে শনাক্তকরণে জানা যায়, ওই যুবকই মহিরুল মল্লিক। কীভাবে তিনি সেখানে পৌঁছলেন, এবং কীভাবে অগ্নিদগ্ধ হলেন—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। ঘটনায় শোকস্তব্ধ পরিবার ও গ্রামবাসীরা।
ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সালার থানার পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মহিরুল মল্লিকের বাড়ির লোকের অভিযোগ, তাঁকে ‘খুন’ করা হয়েছে। কিন্তু কে খুন করল? তাঁর কারও সঙ্গে কি শত্রুতা ছিল? এসব প্রশ্ন ঘিরে পরিবার ও গ্রামবাসীরা উদ্বিগ্ন। পুলিশ সব দিক খতিয়ে ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে।





