Header AD

পুজোর আগেই শহর থেকে উধাও বাস, মিনি! নাজেহাল সাধারণ মানুষ

পুজো এসে গিয়েছে। শহরের রাস্তায় রাস্তায় মানুষের ঢল। বৃষ্টির পর কলকাতা সচল হতেই পুজোর শেষ কেনাকাটা আর ঠাকুর দেখার ভিড়ে পথে নেমে নাস্তানাবুদ সাধারণ মানুষ। উত্তর থেকে  দক্ষিণ সর্বত্র এক চিত্র। রাস্তায় বাস–মিনিবাসের দেখা নেই। কারণ, ডিউটির জন্য পুলিশ অনেক  বাস-মিনিবাস তুলে নিয়েছে। ফলে এত ভিড়ের মধ্যে বাস–মিনিবাসের সংখ্যা কমে আসায় নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

বাস মালিক সংগঠনদের মতে, তাও ভোটের সময়ে বাস-মিনিবাস নেওয়া হলে টাকা মেলে। পুজোয় নিলে পাওয়া যায় তার এক তৃতীয়াংশ। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পুজোয় বাস নিলে পুলিশ দৈনিক ৯৮০ টাকা দেয়। মিনিবাস হলে ৮০০ টাকা। ড্রাইভার ও কন্ডাক্টারকে খেতে দেয় দৈনিক ৮০ টাকা। মালিকদের প্রশ্ন, এই টাকায় দিনে চার বেলা খাওয়া যায়? বাসের তেল অবশ্য পুলিশ দেয়। তাও মেপে। মালিকদের কথায়, ‘এই টাকার ২৪ থেকে ৩০ শতাংশ ড্রাইভার-কন্ডাক্টারদের মজুরি দিতে হয়। কত টাকা ঘরে নিয়ে যাব? কী ভাবে বাসের ইএমআই মেটাব?’ তাই, আপাতত পুলিশের চোখের আড়ালে রাখা হয়েছে বাস–মিনিবাসকে।

ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস অ্যান্ড মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক প্রদীপনারায়ণ বসু, মিনিবাস কো-অর্ডিনেশন কমিটির স্বপন ঘোষ, বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেটের সুরজিৎ সাহা, অল বেঙ্গল বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় স্বীকার করেন, শনিবার পর্যন্ত শহরের পথে বাস নিয়ে এই হয়রানি চলবে। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ এখন বাস নিলে লক্ষ্মী পুজোর আগে ছাড়বে না। আর সেই বাসের ভাড়া আদায় করতে বছর ঘুরে যাবে। মিনিবাস কো-অর্ডিনেশনের স্বপন, সুবার্বান বাস সার্ভিসেস-এর টিটু সাহার প্রশ্ন, বাস-মিনিবাস কেন? স্কুল ছুটি থাকায়, স্কুল–বাস এই সময় বসে থাকে। সেগুলি ব্যবহার করে না কেন?