Header AD
Trending

নেতাই দিবসে সোশ্যাল মিডিয়ায় শহিদদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

নেতাই হত্যাকাণ্ড ৩৪ বছরের বাম সরকারের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিয়েছিল। আজ, বুধবার নেতাই শহিদ দিবসে সেই শহিদদের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ঝাড়গ্রামে হামার্দবাহিনীর তাণ্ডবের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি লেখেন, ‘আজকের দিনে ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম জেলার নেতাই গ্রামে হার্মাদবাহিনীর হাতে প্রাণ হারান ৯ জন নিরীহ মানুষ। নেতাই-এর সেই সকল শহিদের প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।‘ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘২০১১ সালে আজকের দিনে ঝাড়গ্রাম জেলার নেতাই গ্রামে সিপিএমের হার্মাদবাহিনীর হাতে ৯ জন নিরীহ মানুষ নির্মমভাবে প্রাণ হারান। নেতাই গ্রামের সেই অমর শহিদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম।‘

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ঝাড়গ্রামের নেতাইয়ে সিপিআইএমের হার্মাদবাহিনীর গুলিতে ৯ জন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়। বহু গ্রামবাসী গুরুতর আহত হন। ওই বছর ১০ জানুয়ারি হাই কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন কার্যকরী কমিটির সাধারণ সদস্যদের সভায় প্রস্তাবমতো তৎকালীন বারের সহ-সভাপতি সুখেন্দুশেখর রায় ও সহ সম্পাদক সঞ্জয় বর্ধন নেতাই গণহত্যার প্রতিবাদে সিবিআই তদন্ত ও মৃত পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সাহায্যের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জয়নারায়ণ প্যাটেল ও অসীমকুমার রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। তার পাশাপাশি, মৃতদের পরিবারকে ২ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের ১ লাখ ও অল্প আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্যের নির্দেশ দেয়। যদিও তৎকালীন বাম সরকার এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন করে সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাই কোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে। ২০১১ সালের জুলাই মাসে ক্ষমতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ও গুরুতর আহতদের আর্থিক সাহায্য করেন।

২০১২ সাল থেকে প্রতিবছরই তৃণমূল কংগ্রেস এই ৭ জানুয়ারির দিনটিকে নেতাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে। সেই মতই আজ বুধবার সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শহিদদের শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।