বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সাফল্যের মুকুটে জুড়তে চলেছে আরও একটি পালক। জাপানের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাম্মানিক ডি’লিট প্রদান করা হচ্ছে তাঁকে। চলতি সপ্তাহে কলকাতায় আসছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দল। আলিপুরের একটি প্রেক্ষাগৃহে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষসম্মানে ভূষিত করা হবে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর আগে বহুবার দেশের মধ্যে নানা জায়গা থেকে সম্মানিত হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এবার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মান প্রাপ্তি হতে চলেছে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, জাপানের ইউকোহামা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে ডি’লিট উপাধি দেওয়া হচ্ছে। আগামী ১২ বা ১৩ নভেম্বর কলকাতার ‘ধনধান্য’ প্রেক্ষাগৃহে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্মানিত করবেন ইউকোহামা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা। তবে এই প্রথম নয়, মুখ্যমন্ত্রী এর আগেও অন্তত তিনবার নানা জায়গা থেকে এই সাম্মানিক উপাধি পেয়েছেন।
২০১১ সালে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নানা রকমের কুরুচিকর কটুক্তি শোনা গিয়েছিল বিরোধীদের গলায়। কিন্তু তার ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইমেজ একটুও ক্ষুণ্ণ করা তো দুরস্ত, বরং তাঁর জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালে তিনি প্রথম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি’লিট উপাধি পান। সেই সময়কার রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী নিজ হাতে সেই সম্মান তুলে দিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পর আবার, ২০২৩-এ মুখ্যমন্ত্রীকে সাম্মানিক ডি’লিট দেওয়া হয় সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। রীতি মেনেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজ হাতে সম্মানিত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়াও ভুবনেশ্বরের ‘কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি’ বা KIIT-র তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রাপ্তি সাম্মানিক ডক্টরেট। চলতি সপ্তাহেই সাম্মানিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।




