Header AD

কপিলমুনির আশ্রমে পুজো ও আরতি করলেন মুখ্যমন্ত্রী, নিবেদন করলেন শাড়ি

হাতে গোনা আর মাত্র কয়েক দিন। তারপরই শুরু হয়ে যাবে গঙ্গাসাগর মেলা। আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে গঙ্গাসাগর মেলা। তার কিছুদিন আগেই অর্থাৎ আজ, সোমবার মেলার প্রস্তুতি পরিদর্শনের পাশাপাশি মুড়িগঙ্গায় সেতুর শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিনের গঙ্গাসাগর সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেতুর শিলান্যাস করেই তিনি রওনা দেন ভারত সেবাশ্রম হয়ে কপিলমুনির আশ্রমের উদ্দেশ্যে। প্রথমে তিনি গঙ্গাসাগরে ভারত সেবাশ্রমে যান। তারপর সেখান থেকে তিনি কপিলমুনির আশ্রমে যান। সেখানে তিনি নিজ হাতে পুজো ও আরতি দেওয়ার পাশাপাশি শাড়ি নিবেদন করেন।

কপিলমুনির আশ্রমে পুজোর পর সেখানে দাঁড়িয়েই গঙ্গাসাগর মেলা ও সেতু  নিয়ে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “এই মেলা নিয়ে ৭-৮ টা মিটিং হয়েছে। আমি নিজে পরিদর্শন করলাম। একটা টিম তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি ১ কোটি দর্শক সমাগম হবে।” মন্দির চত্বর থেকেই এসআইআরে নাম বাদ প্রসঙ্গে বিজেপি ও কমিশনকে একহাত নেন মমতা। বলেন, “ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহারাজের নাম কেটেছে। সাধারণ মানুষের পাশপাশি সাধু- সন্তদের নাম বাদ গিয়েছে। এটা অন্যায় করছে। বিজেপির ইশারায় যদি কাজ করে কেউ…! এই অন্যায় বরদাস্ত করব না।”

উল্লেখ্য, এদিন মুড়িগঙ্গার উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও এর সূত্রপাত বছর ছয়েক আগেই। মুড়িগঙ্গার উপর একটি সেতু তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহু সমস্যায় জর্জরিত হয়েও সাগরদ্বীপের মানুষ এবং গঙ্গাসাগর মেলায় আসা পুণ্যার্থীদের কথা ভেবে অবশেষে সেতু গড়তে উদ্যোগী হন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুরু হয় জমি অধিগ্রহণের কাজ। ডাকা হয় টেন্ডার। অবশেষে স্বপ্নপূরণ! মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২-৩ বছরের মধ্যেই শেষ হবে সেতু তৈরির কাজ।