রবিবার মহালয়া। ঠিক এক সপ্তাহ পরেই দুর্গাষষ্ঠী। হাতে একদম সময় নেই। শহর থেকে গ্রাম – সর্বত্র চূড়ান্ত ব্যস্ততা। তার আগে বৃষ্টি নিয়ে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে হাওয়া অফিস। কিন্তু বাঙালির দুর্গাপুজো নিয়ে আবেগ যেন সব বাধাকে পার করে যেতে সক্ষম। কুমোরটুলিতে শেষ মুহূর্তের তুলির টান দিচ্ছেন শিল্পীরা। তারই মধ্যে শনিবার থেকে শহরের পুজো উদ্বোধন শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে , শনিবার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোর উদ্বোধনে মধ্যে দিয়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকাল ৪টেয় সেই প্রথম এই পুজোর উদ্বোধনের সম্ভাবনা।এর সঙ্গে এইদিন মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন – হাতিবাগান সর্বজনীন ও টালা প্রত্যয়ের পুজো।
রবিবার মহালয়ার দিন প্রকাশিত হবে তৃণমূলের দলীয় মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র উৎসব সংখ্যা। নজরুল মঞ্চে বিকাল ৩টেয় সেই পত্রিকার প্রকাশ করবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই একের পর শহরের পুজোর উদ্বোধন করবেন মহালয়ার দিন। তালিকায় রয়েছে – নাকতলা উদয়ন, ৯৫ পল্লী, যোধপুর পার্ক, বাবুবাগান, চেতলা অগ্রণী।সোমবার থেকে পুজোর উদ্বোধনের সংখ্যা আরও বাড়বে। সোমবারের তালিকায় যে সব পুজোর উদ্বোধন হবে মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে সেগুলি হল – আলিপুর সার্বজনীন, চেতলা কোলাহল গোষ্ঠী, বেহালা নতুনদল, বড়িষা, হরিদেবপুর ৪১ পল্লী, অজেয় সংহতি, বোসপুকুর তালবাগান, বোসপুকুর শিতলা মন্দির, গড়িয়াহাট হিন্দুস্তান ক্লাব, কালিঘাট মিলন সংঘ।সোমবার থেকে পুজোর উদ্বোধনের সংখ্যা আরও বাড়বে। সোমবারের তালিকায় যে সব পুজোর উদ্বোধন হবে মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে সেগুলি হল – আলিপুর সার্বজনীন, চেতলা কোলাহল গোষ্ঠী, বেহালা নতুনদল, বড়িষা, হরিদেবপুর ৪১ পল্লী, অজেয় সংহতি, বোসপুকুর তালবাগান, বোসপুকুর শিতলা মন্দির, গড়িয়াহাট হিন্দুস্তান ক্লাব, কালিঘাট মিলন সংঘ। মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন – মুদিয়ালি, শিবমন্দির, সমাজসেবী, বালিগঞ্জ কালচারাল, ত্রিধারা, ৬৬ পল্লী, বাদামতলা, আদি বালিগঞ্জ, একডালিয়া, সিংঘিপার্ক। শহরের পাশাপাশি জেলার একাধিক পুজোরও ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।





