বাংলা জুড়ে এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই বিএলও-দের ওপর রাজনৈতিক চাপ থেকে শুরু করে মানসিক ও শারীরিক চাপ তৈরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বহু বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বিএলও-দের কাজ অনুযায়ী এসআইআর ফর্ম জমা নেওয়ার পর তা ডিজিটালি ওয়েবসাইটে ফিল আপ করতে হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ায় নাকি বহু তথ্যের হেরফের নজরে পড়ছে। আর এই আবহে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ৭ জন বিএলও-কে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এই শোকজের নোটিশ পাওয়া ৭ জন বিএলওই বেলেঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের।
ওই শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, শুক্রবার দুপুরের মধ্যে কেন সব বিএলওরা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেননি, তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৭ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও এলাকায় যত সংখ্যক এনুমারেশন ফর্ম জমা নেওয়া হবে, তার ৩০ শতাংশ ডিজিটাইজ়েশন করতেই হবে। কিন্তু এই সাত বিএলও জমা নেওয়া ফর্মের মাত্র ৮ শতাংশ ডিজিটাইজ়েশন করেছেন বলে সূত্রের খবর। ওই কাজ যদি এতটাই ধীর গতিতে হয়, তাহলে নির্ধারিত দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই প্রক্রিয়া শেষ হবে না বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
নানা জায়গা থেকে অভিযোগ উঠেছে, অনেক বিএলও ফর্ম সংগ্রহ করলেও ডিজিটাইজেশনে অনীহা দেখাচ্ছেন। এই নিয়ে কমিশনের এক আধিকারিক বলেন, “বিএলও অ্যাপে কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা আছে, তা আমরা জানি। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতেই হবে।“ রাজ্য জুড়ে ডিজিটাইজেশনের গতি প্রকৃতি নিয়ে কমিশনের এক কর্তা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৯৯.৭ শতাংশ ফর্ম বিলি করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ২৫.৫ শতাংশ বা প্রায় ১.৯ কোটি ফর্ম ইতিমধ্যেই ডিজিটাইজ করা হয়েছে।





