Header AD

এসি লোকালের জন্য ব্যস্ত সময়ে দেরি হচ্ছে গন্তব্যে পৌঁছতে, ক্ষুব্ধ নিত্যযাত্রীরা

এসি লোকাল চালু হওয়ার পর নিত্যযাত্রীদের কি সুবিধের থেকে অসুবিধে বেশি হচ্ছে? নির্দিষ্ট সময় ট্রেন চলছে না। প্রত্যেকটা ট্রেন ১০ – ২০ মিনিট দেরিতে আসছে। ফলে প্রবল অসুবিধার মধ্যে পড়ছেন স্কুল কলেজের স্টুডেন্ট থেকে অফিস যাত্রীরা। মাস দেড়েক হয়ে গেল শিয়ালদহ কৃষ্ণনগর এসি লোকাল ট্রেন চালু হয়েছে। আর এই ট্রেনের জন্যই নাকি প্রত্যেকদিন দেরিতে আসছে অন্যান্য লোকাল ট্রেন, এমনই অভিযোগ করছেন শিয়ালদহ মেইন শাখার যাত্রীরা।
নিত্যযাত্রীরা বলছেন ওই এসি লোকালটি শিয়ালদহ থেকে সকাল ৯টা ৪৮ মিনিটে ছাড়ে । বিধান নগর পৌঁছয়ে দশটা নাগাদ। এদিকে আব দত্তপুকুর লোকালের বিধান নগর পৌঁছনোর কথা ১০ টা ৬ মিনিটে। অভিযোগ উইল এসি লোকালটিতে জায়গা ছেড়ে দিতেই দত্তপুকুর লোকাল বিধান নগরে পৌঁছতে ১০ টা ২০ মিনিট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বনগাঁ, হাবরা, বারাসাতসহ একাধিক লোকাল দেরিতে ঢুকছে। সব ট্রেন দেরিতে চলায় স্বাভাবিকভাবেই যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে অসন্তোষ। তাদের প্রশ্ন, পরিকাঠামো তৈরি না করে এভাবে এসি ট্রেন চালু করার মানে কী? তাছাড়া এসি লোকালটিতে খুব যে যাত্রী হয়, তাও নয়। আর্যতা একটা ফাঁকা ট্রেনকে জায়গা দিতে গিয়ে বাকি লোকাল ট্রেন ঠিক সময় মতো চলতে পারছে না।
যাত্রীদের আরও অভিযোগ দমদম ক্যান্টনমেন্টে ঢোকার আগে প্রায় প্রত্যেক দিনই গড়ে এক একটি ট্রেন ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকছে। এ বিষয়ে রেলের কোন হেলদোল নেই। অনেকেরই প্রশ্ন, এসি ট্রেনকে জায়গা দিতে গিয়ে কেন অন্য ট্রেনের যাত্রীদের ভোগান্তি শিকার হতে হবে?
এ বিষয়ে শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম রাজিব সাক্সেনার বক্তব্য, ” একটা নতুন পরিষেবা চালু হয়েছে। পুরোটা ঠিকঠাক করতে একটু সময় তো লাগবেই। সিস্টেম আপডেট চলছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই সমস্যা মিটে যাবে।”