মঙ্গলবার বিকেলে ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরের ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১১। আহত হয়েছেন ২০। ট্রেন দুর্ঘটনার পর থেকেই বাতিল করা হয়েছে কিছু ট্রেন। এছাড়াও বহু ট্রেন চলছে দেরিতে। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, লোকাল ট্রেনটি সিগন্যাল অতিক্রম করে পণ্যবাহী ট্রেনের পিছনের দিকে ধাক্কা দেওয়ায় এই বিপর্যয় ঘটে বলেই প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলের একাধিক ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যার সঙ্গে ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার মিল পাওয়া যাচ্ছে অনেকাংশে। যেখানে দেখা যাচ্ছে মালগাড়িতে সজোরে ধাক্কা মেরে কিছুটা উপরের দিকে উঠে গিয়েছে প্যাসেঞ্জার ট্রেনটির একটি অংশ। যার কারণে ট্রেনের প্রথম কামরাটি দুমড়েমুচড়ে যায় । এছাড়াও বেশ কয়েকটি বগিও লাইনচ্যুত হয়েছে বলে খবর। মুখোমুখি ট্রেনের সংঘর্ষে একের পর এক ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুত হয়ে যায়। মৃত্যু হয় বহু মানুষের। রেলের তরফে নিহতদের নিকটাত্মীয়দের ১০ লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা এবং সামান্য আহত যাত্রীদের জন্য ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় রেলের উদ্ধারকারী দল, আরপিএফ কর্মী এবং স্থানীয় পুলিশ। তড়িঘড়ি শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আপৎকালীন চিকিৎসা দল প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করে আহতদের । এছাড়াও রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন দ্রুত তদারকির জন্য।
এই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার ছত্তিশগড়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শ্যামবিহারী জয়সওয়াল বলেন, “পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কিছু যাত্রী এখনও ট্রেনের ভেতরে আটকে রয়েছেন। কাটার সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।”





