Header AD

অবশেষে অনুমতি দিল DGCA! বীরভূমের উদ্দেশ্যে রওনা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপ্টার

অবশেষে বীরভুমের রামপুরহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপ্টার। এদিন দুপুর ২টো ১৮ মিনিটে বেহালার ফ্লাইং ক্লাব থেকে উড়ল তাঁর চপার।
দুপুর ১২ টার সময় হেলিকপ্টার ওড়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুমতি দেয়নি DGCA । দীর্ঘক্ষণ ধরে বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে অপেক্ষায় ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এমনকি অনুমতি না মিললে প্রয়োজনে তিনি সড়কপথে রামপুরহাটে পৌঁছবেন বলে মনোস্থির করেন। এমনকি এই তথ্যও উঠে আসে যে, মঙ্গলবার বিকেলেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমে তার সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি করবেন ও সোনালি বিবির সঙ্গে দেখাও করবেন। প্রয়োজনে বীরভূমে রাত্রিযাপন করবেন বলে জানা যাচ্ছে।এবে এদিন তিনি তারাপীঠ মন্দিরে যাচ্ছেন না। মনে করা হচ্ছে কপ্টারের দেরির কারণেই এই সিদ্ধান্ত। তবে বাধা কাটিয়ে অবশ্য অভিষেকের হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি দেয় DGCA।

উল্লেখ্য বিধানসভা নির্বাচন দোরগোড়ায়। গত শুক্রবার থেকেই নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রথম দফায় জেলায় জেলায় সভা করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতোই, মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে রণ সংকল্প সভার আয়োজন করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। কিন্তু রামপুরহাটের সভা করতে আসার আগেই বাধা মুখে পড়তে হল অভিষেককে। গোটা ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে তৃণমূল। এর পিছনে ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা করছে তাঁরা।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনগাঁয় সভা করতে যাওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি দেয়নি DGCA। পরবর্তীতে জানানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টারের কাগজপত্রে কিছু গন্ডগোল থাকায় তাঁর হেলিকপ্টারটি যাত্রার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। হেলিকপ্টার উড়তে না দেওয়া হলেও মুখ্যমন্ত্রী কলকাতার কালীঘাট থেকে গাড়ি করে সড়ক পথে বনগাঁতে পৌঁছেছিলেন ও সেখানে সভাও করেছিলেন। এমনকি পরবর্তীতে তিনি ঠাকুরনগর থেকে মিছিলও করেন। সেইদিন সন্ধ্যেবেলায়ই মুখ্যমন্ত্রী আবার সড়ক পথে কলকাতায় ফিরে আসেন। সেই সময় তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে মুখ্যমন্ত্রী সভা আটকানোর জন্য বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে এই পরিকল্পনাটি তৈরি করেছিল।

কিছুদিন আগেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রানাঘাটে সভা করতে আসার সময় প্রচণ্ড কুয়াশার জন্য তাঁর হেলিকপ্টারটি রানাঘাটের ময়দানে নামতে পারেনি। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকেই ভার্চুয়ালি সভা করে দিল্লি ফিরে যেতে হয়।