ভোটের মুখ্য কিছুটা হলেও নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে সম্প্রতি বিশেষ বৈঠক করেছেন। ভোটের আগে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh)। কিন্তু মাত্র ১৫ দিনেই সেই ছবি বদলে গেল! সেই দায়িত্ব থেকে তবে ‘অব্যহতি’ মিলল? কারণ ফের একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) বঙ্গ সফরে ব্রাত্যই রইলেন দিলীপ ঘোষ। দুটির সভার (PM meeting) একটিতেও ডাক পেলেন না বিজেপি নেতা।
শনিবার রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মালদহে তাঁর সভা রয়েছে। কিন্তু দিলীপ ঘোষ রইলেন কলকাতায়। প্রশ্ন করলে সেই একই উত্তর – সব নেতারা যান না সব জায়গায়। দল যেখানে যাকে মনে করবে সে সেখানে যাবে। কিন্তু উত্তর দিতে গিয়ে তাঁর গলা ভারী। চোখ সরিয়ে নিলেন সাংবাদিকদের থেকে। প্রতিক্রিয়াতেই স্পষ্ট, অভিমানী দিলীপ। অথচ সেই সভাতে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, শমিক ভট্টাচার্যদের উপস্থিতি জ্বলজ্বল করছে।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আবহে ডিসেম্বরে নরেন্দ্র মোদি প্রথম বাংলায় আসা শুরু করলে তখনও ডাক পাননি দিলীপ ঘোষ। ২০২৫-এর শুরুতে সেই অভিমান ভোলাতে দিলীপ ঘোষকে ডেকে আলাদা বৈঠক করেন শাহ (Amit Shah)। তার পর থেকেই ভোটের রাজনীতিতে সক্রিয় হন দিলীপ। রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য তাঁকে পাশে বসিয়ে একাধিক জায়গায় সভা করেছেন। যার প্রবল প্রতিক্রিয়া বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে দেখাও গিয়েছে। অথচ ফের বাদের তালিকায় দিলীপ।
জানা যাচ্ছে, রবিবার সিঙ্গুরের সভাতেও নাকি ডাক পাননি দিলীপ ঘোষ। আরেক প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে দেখা গিয়েছে সিঙ্গুরে (Singur) জনসংযোগ করতে, সভার আগে। অথচ ডাক পাননি দিলীপ। দলের প্রতি সেখানেও অভিমান স্পষ্ট দিলীপের গলায়। জানালেন, এখনও জানি না। দল যাঁদের ডাকবে তারা যাবে।




