Header AD

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, বেইরুটে ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত! উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল একাধিক হামলার ঘটনা। দুবাইয়ের পর এবার কুয়েতেও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, লেবাননের রাজধানী বেইরুটে একটি হোটেলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ও বহু মানুষ আহত হওয়ার খবর মিলেছে।

সূত্রের খবর, রবিবার সকালে কুয়েত বিমানবন্দরে একটি ইরানি ড্রোন আছড়ে পড়ে। হামলার ফলে বিমানবন্দরের একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়। ঘটনায় দুই নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগুন নেভাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী।

এর আগের রাতেই দুবাইয়ের মেরিনা টাওয়ার এলাকাতেও ড্রোন হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। যদিও সেই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এই পরপর হামলার জেরে গোটা অঞ্চলে উদ্বেগ বাড়ছে।

অন্যদিকে, রবিবার ভোরে লেবাননের রাজধানী বেইরুটের একটি হোটেলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইজরায়েল। ইজরায়েলের দাবি, সেখানে অবস্থান করছিলেন কয়েকজন ইরানি কমান্ডার, তাদের লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, হামলায় অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

ইজরায়েলি সেনার তরফে জানানো হয়েছে, কুদস ফোর্সের লেবানন কর্পসের কয়েকজন কমান্ডার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল। তারা ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডের হয়ে কাজ করছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,  এর ঠিক আগের দিনই ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ান ( Masoud Pezeshkian) ঘোষণা করেছিলেন যে, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলির উপর আর কোনও হামলা চালাবে না। তিনি জানান, ইরানের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ এই সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে। এমনকি সাম্প্রতিক হামলার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমাও চান তিনি।

কিন্তু সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কুয়েত ও দুবাইয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।