জাল ওষুধ বেচাকেনা নিয়ে প্রায়শই নানা অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি তামিলনাড়ুতে বিষাক্ত কফ সিরাপ কাণ্ডের পর এই সংক্রান্ত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এবার বেশ কিছু ওষুধকে নিকৃষ্ট মানের তালিকাভুক্ত করল সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। মোট ৩৪টি ওষুধকে ‘নট স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি’ বা ‘গুণমানের মাপকাঠি’ পূরণ করতে না পারায় চিহ্নিত করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে কলকাতা থেকে বাজেয়াপ্ত অস্থিসন্ধির গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। উপাদান হিসাবে যার মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ভিটামিন ডি থ্রি । ব্যাচ নম্বর GTA1350। কলকাতার ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করতেই সামনে এসেছে ট্যাবলেটে ক্যালসিয়ামের অস্তিত্বই নেই। এই নিকৃষ্ট মানের ওষুধ এসেছে গুজরাট থেকে যা বাজেয়াপ্ত হয়েছে কলকাতায়। ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গুজরাটের নিম্নমানের এই ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার নাম গিডসা ফার্মাসিউটিক্যাল। সংস্থার কারখানার ঠিকানা প্লট নম্বর ৬১১, ৬১২, খারেদি দাহোড় ৩৮৯১৫১, গুজরাট। কোন পথে গুজরাট থেকে নিম্নমানের ওষুধ রাজ্যে ঢুকল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ড।
সেন্ট্রাল ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের তরফে প্রতিটি নিকৃষ্ট মানের ওষুধের ব্যাচ নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা ইতিমধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রতিটি রাজ্যের পাইকারি এবং খুচরো ওষুধ বিক্রেতার কাছে। সেন্ট্রাল ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের আধিকারিকরা এই ওষুধগুলি বেচাকেনার ওপর নিশেধাজ্ঞা জারি করেছেন। তার মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ। অতিপরিচিত ট্যাবলেটের মধ্যে অ্যাম্পিসিলিন প্যারাসিটামল ল্যাবরেটরিতে মান পরীক্ষায় ব্যার্থ। নিম্নমানের সেই প্যারাসিটামল এসেছে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বার থেকে। এ ছাড়াও নট স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটির তালিকায় রয়েছে পেটে পরজীবী সংক্রমণের ট্যাবলেট অ্যালবেকাল ৪০০, পেটে সংক্রমণের মেট্রোনিডাজোল ট্যাবলেট, অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাইহাইড্রেট, অ্যামক্সিসিলিন পটাশিয়াম ক্লভুলানেট ট্যাবলেট। অধিকাংশ খারাপ মানের ওষুধ তৈরির কারখানা হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে।





