ভোট ঘোষণার আগে রাজ্যের ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রবিবার রাতে কলকাতায় এল নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। শহরে এলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এ দিন বিমানবন্দর থেকে গাড়ি বেরনোর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। এমনকী কৈখালীতে কনভয় যাওয়ার সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। শুধু তৃণমূল নয়, এদিন বিমানবন্দরের বাইরে ভিআইপি রোডে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বিক্ষোভ দেখান বামকর্মী সমর্থকরাও। যা ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। যদিও কড়া হাতে গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ । রবিবারের পর সোমবার সকালেও কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গেলে তাকে ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো হয়।
পূর্ব নির্ধারিত সুচি অনুযায়ী সোমবার এবং মঙ্গলবার দফায় দফায় একাধিক বৈঠক করার কথা রয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। বৈঠক করবেন শাসকদল তৃণমূল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। জানা গেছে সেখানে তৃণমূলের প্রতিনিধি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন রাজীব কুমার। এই প্রথম শাসকদলের হয়ে কোনও বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করতে চলেছেন প্রাক্তন ডিজি।
তৃণমূল সূত্রে খবর, ওই প্রতিনিধিদলে থাকবেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।এছাড়াও রাজ্য প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক থেকে এসপি, জেলাশাসকদের সঙ্গেও বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। বৈঠক হবে বিএলওদের সঙ্গেও। দুইদিন ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে জ্ঞানেশ কুমারদের।করবেন সাংবাদিক বৈঠকও। তার আগে তিনি যেতে পারেন কালীঘাট মন্দিরে। এমনকী বেলুড় মঠেও যাওয়ার কথা রয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের।
প্রসঙ্গত রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৫-এর ২৭ অক্টোবর। সেই সময় থেকেই কমিশনের একাধিক অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপক বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় জনমানসে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ। এই প্রেক্ষাপটে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নতুন কী বলেন সেই দিকে নজর সবার।





