Header AD
Trending

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরির শিলান্যাস হুমায়ুন কবিরের, নিরাপত্তায় মোতায়েন ৩ হাজার রাজ্য পুলিশকর্মী

সৌদি আরবের দুই ধর্ম গুরুর হাতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করালেন হুমায়ুন কবির। রেজিনগরে মরাদিঘীর মাঠে অনুষ্ঠিত হল শিলান্যাস ও সভা। বেলডাঙা ১ নম্বর ব্লকের ছেতিয়ানিতে ২৫ বিঘে জমির ওপর তৈরি হওয়ার কথা বাবরি মসজিদের। সঙ্গে থাকবে ইসলামিক হাসপাতাল, গেস্ট হাউস, ও হেলিপ্যাড। এদিনের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয় ৩ হাজার রাজ্য পুলিশ কর্মী। শিলান্যাসের আগে সভা থেকে হুমায়ুনের দাবি, “২৫ বিঘা জায়গার মধ্যে, হাসপাতাল হবে, বিশ্ব বিদ্যালয় হবে, পার্ক হবে। পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে যত কোটি টাকা খরচ হয়, মুর্শিদাবাদ সহ মালদা, উত্তর দিনাজপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, প্রচুর মানুষ আর্থিক সহযোগিতা করবেন।..রাজ্য সরকারের টাকায় আমি মসজিদ করব না। তাতে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হবে।”

যেখানে মসজিদ হওয়ার কথা বৃহস্পতিবার সেই ছেতিয়ানির মাঠ ঘুরে দেখেন হুমায়ুন! মসজিদের শিলান্যাসের ব্যানারের নীচে আয়োজক হিসাবে রয়েছে হুমায়ুনের নাম। অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিপুল আয়োজন করেছিলেন তৃণমূলের সাসপেন্ড বিধায়ক। আনা হয় দুই সৌদি ধর্মগুরুকে। সূত্রের খবর, প্রায় ৪০ হাজার মানুষের খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত করছেন হুমায়ুন কবীর। অতিথিদের জন্য প্রায় ৪০হাজার বিরিয়ানির প্যাকেট রেডি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য আরও ২০ হাজার প্যাকেট তৈরি করা হয়েছে। সবমিলিয়ে খাবারের খরচ ৩০ লক্ষ টাকারও বেশি । ভেন্যুর বাজেট প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ টাকা!

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ভাঙা হয়েছিল বাবরি মসজিদ। উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। ৩৩ বছর পর, আবারও ৬ ডিসেম্বরে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ঘটনার ঘনঘটা। শনিবার তৃণমুলের সংহতি দিবসের দিন মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ‘বাবরি মসজিদ’-এর শিল্যান্যাস করলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এদিকে এই সভার ফলে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। থমকে যায় যান চলাচল। ফলে দুর্ভোগের শিকার হন যাত্রীরা।