মৃত্যুদণ্ড নাকি যাবজ্জীবন,বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) বিচারে কী রায় দান হবে! সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। সোমবার শেখ হাসিনার রায় ঘোষণা করছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তবে রায় নিয়ে চিন্তিন নন শেখ হাসিনা। রায়দানের পূর্বে এক অডিও বার্তায় সেই কথাই সাফ জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী দিনে বাংলাদেশে আওয়ামি লিগ আরও শক্তিশালী হবে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন হাসিনা।
এদিন অডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি জানি আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালতের চিফ প্রসিকিউটর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি এনেছেন, তার সবই মিথ্যা। আবু সঈদের বাবা নিজেই বলেছেন তাঁর ছেলের মাথার পিছনে গুলি লেগেছে। কিন্তু সারা বিশ্ব জানে আবু সঈদ বুক পেতে গুলি খেয়েছে। পুলিশ তো মেটাল বুলেট ব্যবহার করেনি। রাবার বুলেট ব্যবহার করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আমি যেখানে ১০ লক্ষ রোহিঙ্গাকে জায়গা দিলাম। তাঁরা নির্যাতিত ছিলেন। এর চেয়ে বেশি মানবিক কাজ আর কী হতে পারে?” এরপরই দৃপ্ত কণ্ঠে হাসিনার ঘোষণা , “আল্লা জীবন দিয়েছেন, তিনিই নেবেন। বিচার করুক। ওসব বিচারের আমি পরোয়া করি না। শুধু মানুষের জন্য কাজ করব।” বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, “হামলা, মামলা দিয়ে আমার কণ্ঠ বন্ধ করতে পারবে না।”
প্রসঙ্গত, গত বছর জুলাই মাসে হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। গণ অভ্যুত্থানে চাপে পড়ে পদত্যাগ করেন। দেশও ছাড়েন। বর্তমানে তিনি ভারতেই রয়েছেন। মূলত পাঁচ অভিযোগের ভিত্তিতে হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলছে। এদিকে, রায় ঘোষণার আগে থেকেই উত্তপ্ত বাংলাদেশ। বাড়ানো হয়েছে দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।





