প্রস্তুতি ছাড়া এসআইআর প্রক্রিয়ায় মানুষের হয়রানির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই সরব হয়েছে তৃণমূল। শুনানি প্রক্রিয়ায়ও সেই হয়রানি অব্যাহত। এই অভিযোগ তুলে রবিবারই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুধু তাই নয়, কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এবার সরাসরি আইনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল! গঙ্গাসাগর থেকে কমিশনকে নিশানা করে তাঁর হুঁশিয়ারি “আমি উকিল। আমরা আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামীকাল কোর্ট খুলবে। আইনের পথে যাব। প্রয়োজন পড়লে আমি সুপ্রিম কোর্টে যাব, একজন আইনজীবী হিসাবে নয়, একজন সাধারন মানুষ হিসাবে যাব। আমি সাধারণ মানুষের কথা বলতে যাব। আমিও সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে প্লিড করব।”
সোমবার বহু প্রতিক্ষীত গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই নাম না করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে একযোগে নিশানা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এস আই আর প্রক্রিয়ায় হয়রানির প্রতিবাদ করে তিনি গর্জে ওঠেন, “৮৫ বছর বয়স্ক নাকে নল, তাকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছো, প্রেগন্যান্ট মহিলাদের ডেকে নিয়ে যাচ্ছ শুনানির জন্য! বাংলাকে এখন প্রমান দিতে হবে আমি দেশের নাগরিক কিনা! তুমি কে ভাই? সবে এসেছ কিছু দিনের জন্য। বাংলা কোনওদিন মাথা নত করেনি, করবেও না। এটা বাংলার ইতিহাস, মনে রেখে দিও দিল্লির জমিদারেরা।” এরপরই কমিশনকে একহাত নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, “যে ৫৪ লক্ষের নাম বাদ দিয়েছে তাদের অধিকার ছিল ৭ নম্বর বা ৮ নম্বর ফর্ম ফিলাপ করার। হোয়াটসঅ্যাপ-এ চলছে ইলেকশন কমিশন।মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।” আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ব্যবহার করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরই মানুষের হয়রানি রুখতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।





