কেন্দ্র বাংলার ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। নির্বাচন কমিশনের যদি ক্ষমতা থাকে তাহলে কেন্দ্রের অর্থ মন্ত্রককে একটা চিঠি লিখুক। জানতে চাক কোন আইন বলে কেন্দ্র বাংলার টাকা আটকে রেখেছে? আছে কি নির্বাচন কমিশনের সেই ক্ষমতা! আমি চ্যালেঞ্জ করছি , কমিশন যদি কেন্দ্রকে চিঠি লিখতে পারে তাহলে আমি বিএলও-দের প্রাপ্য অর্থের ৫ গুণ টাকা দেব। ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেই টাকা বিএলওদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। সোমবার মহেশতলার সেবাশ্রয় ২ সূচনার সভা থেকে এভাবেই নির্বাচন কমিশনের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে দাবি করে বিএলও, ইআরও-দের বর্ধিত ভাতা এখনো পর্যন্ত আটকে রেখেছে রাজ্য সরকার। তারপরেই ভাতা বৃদ্ধির পুরনো সেই বিজ্ঞপ্তি নতুন করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, বিএলওদের সাম্মানিক ৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা করা হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য ইনসেনটিভ ১ হাজার থেকে বেড়ে করা হচ্ছে ২ হাজার টাকা। বিএলও সুপারভাইজারদের সাম্মানিক ১২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ১৮০০০ টাকা। যদিও নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিটি গত ২ আগস্ট প্রকাশিত হয়েছিল। এই নিয়েই শনিবার বিজেপি ও কমিশনকে একযোগে আক্রমণ করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। সোমবার মহেশতলায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই প্রসঙ্গে ফের সরব হন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করে প্রশ্ন তোলেন “EC কি কেন্দ্রকে চিঠিটা লিখতে পারবে? আমরা তাহলে বিএলওদের ১২ হাজার নয় ৬০ হাজার টাকা করে দেব।”
প্রসঙ্গত, বাংলার মানুষের প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে এদিন ফের সরব হন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। “বাংলার প্রাপ্য ২ লক্ষ কোটি টাকা কেন্দ্র সরকার আটকে রেখেছে। উল্টে গত সাত বছরে বাংলার গরীব মানুষকে শোষন করে জমিদারদের সরকার জিএসটি বাবদ ৬ লক্ষ ৫০ হাজার ১০০ কোটি টাকা নিয়ে গিয়েছে এরাজ্য থেকে । আসলে বাংলার গরীব মানুষকে এভাবেই বঞ্চিত, নিপীড়িত, শোষিত করে রাখাই কেন্দ্রের জমিদার বিজেপি সরকারের একমাত্র লক্ষ্য।” এভাবেই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিজেপিকে নিশানা করলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।





