ইন্ডিগোর বিমান বিভ্রাট প্রায় ১ সপ্তাহ হতে চলল। এই অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে বিমানসংস্থা। এবার সারা দেশজুড়ে বিমানবন্দরে একের পর এক ফ্লাইট বাতিল, দীর্ঘ লাইনে আটকে থেকে যাত্রীদের ক্ষোভ- ইন্ডিগোর সংকট ঘিরে কয়েক দিনের অস্থিরতার পর কড়া অবস্থান নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রামমোহন নায়ডু আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সব সংস্থাগুলিকে। সোমবার ফের রাজ্যসভা থেকে জোরালো বার্তা দিলেন, ইন্ডিগোর ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির পর বিমানসংস্থাগুলির বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা সমস্ত বিমানসংস্থার জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।
সারা দেশের বিমান সংস্থাগুলোর বিভ্রান্তি নিয়ে এদিন রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী। শয়ে শয়ে উড়ান বাতিল হয়েছে। বিমানসংস্থার অভ্যন্তরীণ সংকটে ভুক্তভোগী হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। অথচ যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে পাইলটদের পর্যাপ্ত ছুটির বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছিল কেন্দ্র। এ বিষয়ে রামমোহন নাইডু বলেন, “আমরা পাইলট, বিমানকর্মী এবং যাত্রীদের দেখভাল করে থাকি। এই বিষয়ে সমস্ত বিমান সংস্থাকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে। ইন্ডিগোর উচিত ছিল ব্যবস্থাপনা সঠিক রাখা। যাত্রীরা প্রচুর সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। আমরা এই পরিস্থিতিকে মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছি না। কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি বিমান সংস্থার জন্য একটি উদাহরণ স্থাপন করব। যদি কোনও নির্দেশিকা অমান্য করা হয়, তবে আমরা ব্যবস্থা নেব।”
পরিষেবার দিক থেকে ভারতে অন্যতম বৃহৎ বিমানসংস্থা হল ইন্ডিগো। দেশে ও বিদেশে যাতায়াতের জন্য ভরসা যোগ্য একটি বিমান পরিষেবা সংস্থা হয়ে উঠছিল। কিন্তু সেই পরিষেবাই সম্পূর্ণরূপে মুখ থুবড়ে পড়েছে গত ছ’দিন ধরে। প্রসঙ্গত, ইন্ডিগোর এই বিপর্যয়ের জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার যাত্রী। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণাধীন অসামরিক বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা নোটিস পাঠিয়েছে বিমান সংস্থার সিইও পিটার এলবার্সকে। কেন আগে থেকে পর্যাপ্ত বন্দোবস্ত করা হল না, এই প্রশ্ন তুলে ইন্ডিগোকে নোটিস দিয়েছে ডিজিসিএ।





