মায়ের সঙ্গে কলকাতা থেকে বাঁকুড়ায় বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া। ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর কাঁসাই হল্টে বুধবার সকালে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সোহম পাত্র। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিন্টিং ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন তিনি।
মৃত সোহমের বাবার নাম দীপককুমার পাত্র, মা মল্লিকা পাত্র। বাঁকুড়া থানা এলাকায় তাঁদের বাড়ি। মঙ্গলবার রাতে হাওড়া-আদ্রা রানি শিরোমণি প্যাসেঞ্জার ট্রেনে উঠেছিলেন সোহম। তাঁর মা ছিলেন সঙ্গে। খড়্গপুর জিআরপি সূত্রে জানা যায়, কাঁসাই হল্ট এবং মেদিনীপুর স্টেশনের মাঝে ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন ওই পড়ুয়া।
তবে রাতে নদী এবং স্টেশনের আশপাশে খোঁজাখুঁজি করলেও খোঁজ মেলেনি তাঁর। এরপর বুধবার সকালে নদীতে ভাসতে দেখা যায় ওই পড়ুয়ার দেহ। তৎক্ষণাৎ খবর দেওয়া হয় পুলিশে। খড়্গপুর লোকাল থানার পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মানসিক অবসাদের জেরে আত্মহত্যা করেছেন ওই পড়ুয়া বলেই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। দেহ উদ্ধারের পরে সোহমের বাবা জানান, ‘‘এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। কী ঘটেছে সেটা পুলিশ বলবে। আমরা কিছু সন্দেহও করছি না।’’ মৃত পড়ুয়ার মা বলেন, ‘‘আমার ছেলে থার্ড ইয়ারে (তৃতীয় বর্ষে) পড়ত। র্যাগিংয়ের কোনও প্রশ্নই নেই। আমার ছেলেকে সকলে ভালোবাসত। মনে হচ্ছে, সুইসাইডই করেছে। কিন্তু কারণ জানা নেই।’’




