মায়ানগরী মুম্বইতে বাংলার শারদোৎসবের আমেজকে বজায় রেখেছেন বাঙালি গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য। এই বছর অভিজিৎ ভট্টাচার্যের ‘লোখান্ডওয়ালার দুর্গোৎসব’ তিরিশে পা দিল। ফলে এবার আয়োজনে জাঁকজমক বেশি। ১৯৯৬ সালে এই পুজো শুরু করেছিলেনঅভিজিৎ । ২৭ সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ পঞ্চমীর দিন থেকেই আমজনতার জন্য ‘লোখান্ডওয়ালার দুর্গোৎসব’ খুলে দিচ্ছেন তিনি। চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত। এই পুজোর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন স্বয়ং অভিজিৎ। পুজো পাঁচদিনের হলেও সাতদিন ধরে অতিথি সমাগম চলতে থাকে এখানে। প্রতিবারের মতো এবারেও লোখান্ডওয়ালার মাঠে সেজে উঠেছে মণ্ডপ।
নানা বাঙালি রকমারি খাবারের স্বাদও পাওয়া যায় এই মণ্ডপে । অভিজিৎ বলছেন, “লোখণ্ডওয়ালা দুর্গোৎসবের ৩০ বছর উদযাপন আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। ১৯৯৬ সালে মুম্বইয়ের বুকে শুরু হওয়া এই পুজো এখন এক বিশাল উৎসবে পরিণত হয়েছে। আমার পুজোর সাজসজ্জা এখন বিশ্বজুড়ে চর্চিত। বম্বের বুকে বাঙালি ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা সফল হয়েছে।” অভিজিৎের পুজোর ভোগে থাকে খিচুড়ি, লাবড়া, বেগুনি, চাটনি, রসগোল্লা। আবার অবাঙালিদের জন্য ভেজ চপ, পনিরের রকমারি স্ন্যাকসও থাকে। পুজো কমিটির প্রত্যেক পুরুষ সদস্য সাজেন ধুতি-পাঞ্জাবিতে । এখানকার মূর্তি বিসর্জন হয় না দশমীতে। সেদিন দর্শকদের জন্য থাকে পোলাও। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সেলেবদের আনাগোনা লেগেই থাকে। মায়ের নিরঞ্জন হয় একাদশীর দিন।





