টানা চারদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে ধস সরিয়ে ফের আংশিকভাবে চালু হল বাংলা-সিকিম সংযোগের লাইফ লাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে শ্বেতীঝোরা হয়ে শুরু হয় একমুখী যান চলাচল। যদিও পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে জাতীয় সড়ক রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা NHIDCL। যদিও এরই মাঝে সপ্তাহান্তে ফের দুর্যোগের ভ্রুকুটি উত্তরবঙ্গ জুড়ে। প্রবল বৃষ্টি থেকে এখনই রেহাই নেই উত্তরবঙ্গবাসীর। সপ্তাহান্তেও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুমী অক্ষরেখার হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থান করছে। মধ্য বাংলাদেশে রয়েছে সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশার উপর উচ্চচাপ বলয়। ত্রিফলায় আপাতত বঙ্গে চলবে বৃষ্টি। সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। শুক্র, শনি ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার অতি ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে পারে জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং ও আলিপুরদুয়ার। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহারে। মঙ্গল ও বুধবার বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায়। ভারী বৃষ্টির ফলে বাড়বে নদীর জলস্তর। তিস্তা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীতে জলস্তর বাড়বে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের পার্বত্য এলাকায় ধস নামার আশঙ্কা। সিকিমেও ধসের আশঙ্কা রয়েছে।এর ফলে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক আবার ধসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে।এর পাশাপাশি বৃষ্টি চলবে দক্ষিণের জেলাগুলোতেও। দক্ষিণবঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ। রবি এবং সোমবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে।





