ছটপুজোর ভিড় সামলাতে সাময়িক ভিত্তিতে শালিমার স্টেশনের বাইরে অস্থায়ী হোল্ডিং এরিয়া তৈরি করেছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল। তবে ভবিষ্যতের কথা ভেবে নয়াদিল্লির নিজামুদ্দিন রেলস্টেশনের ধাঁচে শালিমারেও চিরস্থায়ী হোল্ডিং এরিয়া তৈরির কথা ভাবছে রেল। ভবিষ্যতের কথা ভেবে ওই স্টেশনে নতুন দু’টি প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ ছাড়াও ভিড় নিয়ন্ত্রণে স্টেশনের বাইরে স্থায়ী ভিত্তিতে হোল্ডিং এরিয়া তৈরির পরিকল্পনা করেছে রেল। এ ছাড়াও ওই স্টেশন থেকে একাধিক বিশেষ ট্রেন চালাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল। স্থায়ী হোল্ডিং এরিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ সংস্থা রাইটস প্রয়োজনীয় সমীক্ষা করে রিপোর্ট দেবে। সারা দেশে জনবহুল চিহ্নিত করে যে সব স্টেশনে পাকাপাকি হোল্ডিং এরিয়া তৈরির কথা ভাবা হয়েছে, তার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের শালিমার, রাঁচী এবং টাটানগর স্টেশন রয়েছে।
২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর সাঁতরাগাছি স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজে ওঠার সময় পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছিল দুই যাত্রীর। আহত হয়েছিলেন আরও ১৭ জন। এর পরেই সাঁতরাগাছি স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজ এবং সাবওয়ে হয়েছে। শালিমার স্টেশনের ক্ষেত্রেও একটি সাবওয়ে এবং একটি প্রশস্ত ফুট ওভারব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। ওই ফুট ওভারব্রিজে চলমান সিঁড়ি এবং সাবওয়েতে চলমান সমান্তরাল পথ বসানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অতিরিক্ত জেনারেল ম্যানেজার সৌমিত্র মজুমদার বলেন, ‘ছটপুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে যাত্রীদের কথা ভেবে কিছু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়েছে।‘ বিশেষজ্ঞ সংস্থার রিপোর্ট পাওয়ার পরে রেলওয়ে ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি হোল্ডিং এরিয়া তৈরি হবে বলে রেল সূত্রের খবর। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অধীনে থাকা নিজস্ব বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রক্ষণাবেক্ষণের পরিকাঠামোও শালিমার স্টেশনে গড়ে তোলা হবে। দক্ষিণের বিভিন্ন রাজ্যে কাজের সূত্রে যাওয়ার প্রয়োজনে পরিযায়ী শ্রমিকদের বড় অংশ দক্ষিণ-পূর্ব রেলের শালিমার স্টেশনকে বেছে নেন। যাত্রীদের অনেকে চিকিৎসার প্রয়োজনেও তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণের বিভিন্ন রাজ্যে সফর করেন। ওই স্টেশনের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগের পরিকাঠামো বদলেও গুরুত্ব দিচ্ছে রেল।





