আর কয়েকদিন পরই কালীপুজো, দীপাবলি। আলোর উৎসবে শামিল হবে রাজ্য-সহ গোটা দেশ। এই সময়ে প্রতিমা দর্শণের জন্য পূর্ব রেলের অন্যতম ব্যস্ত স্টেশন শিয়ালদহ থেকে প্রচুর দর্শনার্থী শহর ও শহরতলির ট্রেন ধরেন। ভিড় সামলাতে আগে থেকেই একাধিক ব্যবস্থা নিল পূর্ব রেল।
পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, উৎসবের সময় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আপ লোকাল ট্রেন দমদম ও বিধাননগর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ছাড়বে। এরমধ্যে রয়েছে নৈহাটি, রানাঘাট, কৃষ্ণনগর, গেদে, বহরমপুর কোর্ট ও লালগোলার ট্রেন। মাঝেরহাট ও বালিগঞ্জ হয়ে যাতায়াতকারী দক্ষিণ শাখার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আপ লোকাল ট্রেনগুলি শুধুমাত্র ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়েই যাতায়াত করবে।
বারাসতের কালীপুজো বিখ্যাত। বহু দর্শনার্থী ট্রেনে করেই সেখানে যান পুজো দেখতে। বিধাননগর ও দমদম স্টেশন থেকে বহু যাত্রী বারাসতের ট্রেন ধরেন। সেই কথা মাথায় রেখে রেল জানিয়েছে, দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে বারাসত, বনগাঁ, হাসনাবাদ, ডানকুনি আপ লোকাল শুধুমাত্র দমদম ও বিধাননগর স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ২ দিয়েই যাতায়াত করবে।
কালীপুজোর সময়ে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরকে সম্পূর্ণ হকার মুক্ত রাখা হবে বলে জানিয়েছে রেল। শ্যামাপুজোর দিন সরকারি ছুটি। তবে অফিসের দিনের মতোই সব লোকাল ট্রেন চলবে ওইদিন । রেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর কোনও ট্রেন গ্যালোপিং থাকবে না। যাত্রাপথের সমস্ত স্টেশনেই থামবে। এই বিধি বলবৎ করতে গিয়ে কোনও কোনও ট্রেন দেরিতে চলতে পারে। কোনও ট্রেন বিশেষ কারণবশত বাতিল করতে হলে তা আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
আরও জানানো হয়েছে, কোনও কারণে যদি ঘোষিত প্ল্যাটফর্মের বদল করতে হয় তা অনেক আগে থেকে ঘোষণা করা হবে। শিয়ালদহ ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার রাজীব স্যাক্সেনা জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুরক্ষা রেলের কাছে আগে। সেই মোতাবেক সমস্ত ব্যবস্থা করা হচ্ছে ।
যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে আরও অতিরিক্ত কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে রেলের তরফে। জানানো হয়েছে, ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর শিয়ালদহ স্টেশনের প্রতিটি টিকিট কাউন্টার সারাদিন চালু থাকবে। স্টেশনের বাইরে পার্কিং এরিয়ায় ৩০০ বর্গমিটার এরিয়া শেড দিয়ে ঢেকে সেটা হোল্ডিং এরিয়া হিসেবে ব্যবহার করা হবে। দমদম, বারাসত, নৈহাটি, বিধাননগর রোড, এই ৪টি স্টেশনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশেষ নজর রাখবে রেল।





