রাতের শহরে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত বাঘাযতীনের রামগড় বাজার। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় দমকল বাহিনীকে। এখন আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও, বেশ কিছু জায়গায় রয়েছে পকেট ফায়ার। যা নেভানোর কাজ চালাচ্ছে দমকল। তবে আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে প্রায় ৪০টি দোকান। যার কারণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার। যা নিয়ে রীতিমতো মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে ব্যবসায়ীদের।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা নাগাদ বাঘাযতীনের রামগড় বাজারে ভয়াবহ আগুন লাগে। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে একের পর এক দোকান। স্থানীয়দের নজরে পড়া মাত্রই তাঁরা খবর দেন দমকলে। দমকল বাহিনী আসার পর শুরু হয় আগুন নেভানোর কাজ। এরপর দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় শুক্রবার ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আপাতত অগ্নিদগ্ধ বাজার চত্বর ঘিরে রাখা হয়েছে। স্থানীয়রাও কেনাবেচা বন্ধের কারণে পড়েছেন বিপাকে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত এবং বিধায়ক দেবব্রত মজুমদার। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গেও কথা হয়েছে তাঁদের। স্থানীয় কাউন্সিলর জানান, “ প্রায় বছর চল্লিশের পুরনো এই বাজারে কমপক্ষে ৪০-৫০টি দোকান রয়েছে। ব্যবসায়ীদের কোনও বিমা করা নেই। তাই বাজার পুনর্নির্মাণ-সহ আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয় নিয়ে সরকারকে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আর্জি জানানোর কথা জানিয়েছি”। পাশাপাশি স্থানীয় বিধায়ক জানান, “ ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। ৫৭ কাঠা সরকারি খাসজমির উপর তৈরি এই বাজারে বছরের পর বছর ধরে ব্যবসা করে চলেছেন দোকানিরা। রাতারাতি দোকানপত্র পুড়ে খাক হয়ে যাওয়ায় কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার ফলে মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের।“
এখনও পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের কারণ পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে কোনও একটি দশকর্মার দোকানে শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দমকল কর্মীদের প্রাথমিক অনুমান।





